৬/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৮৮ - কুরআন খতমের সময়সীমা
কুরআন কত দিনে খতম করতে হয়
কুরআন খতম কত দিনে করবেন: এক মাস থেকে সাত দিনের নির্দেশনা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৩৮৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩৮৮
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ أَخْبَرَنَا أَبَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ لَهُ " اقْرَإِ الْقُرْآنَ فِي شَهْرٍ " . قَالَ إِنِّي أَجِدُ قُوَّةً . قَالَ " اقْرَأْ فِي عِشْرِينَ " . قَالَ إِنِّي أَجِدُ قُوَّةً . قَالَ " اقْرَأْ فِي خَمْسَ عَشْرَةَ " . قَالَ إِنِّي أَجِدُ قُوَّةً . قَالَ " اقْرَأْ فِي عَشْرٍ " . قَالَ إِنِّي أَجِدُ قُوَّةً . قَالَ " اقْرَأْ فِي سَبْعٍ وَلاَ تَزِيدَنَّ عَلَى ذَلِكَ " .قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدِيثُ مُسْلِمٍ أَتَمُّ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) তাঁকে বলেছেনঃ তুমি কুরআন এক মাসে খতম করবে। তিনি বললেন, আমি এর চাইতে অধিক সামর্থ্য্য রাখি। তিনি (ﷺ) বললেনঃ তাহলে বিশ দিনে খতম করবে। তিনি বললেন, আমি এর চাইতে বেশি সামর্থ্য্য রাখি। তিনি (ﷺ) বললেনঃ তাহলে পনের দিনে খতম করবে। তিনি বললেন, আমি এর চেয়েও অধিক শক্তি রাখি। তিনি (ﷺ) বললেনঃ তাহলে দশ দিনে খতম করবে। তিনি বললেন, আমি আরো সামর্থ্য রাখি। তিনি (ﷺ) বললেনঃ তাহলে সাত দিনে, কিন্তু এর চেয়ে অধিক করবে না।
ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, মুসলিমের বর্ণনাটি পরিপূর্ণ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-কে কুরআন খতমের সময় নিয়ে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রথমে বলেছেন এক মাসে কুরআন পড়তে। তিনি বেশি সামর্থ্যের কথা বললে বিশ দিন, পনের দিন, দশ দিন—এভাবে সময় কমানো হয়। শেষে সাত দিনে পড়ার কথা বলা হয় এবং এর চেয়ে বেশি কমাতে নিষেধ করা হয়। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো কুরআন খতম শুধু দ্রুত শেষ করার বিষয় নয়; নিয়ম, সামর্থ্য এবং ভারসাম্যও জরুরি। কুরআন খতম কত দিনে, সাত দিনে কুরআন খতম, নিয়মিত তিলাওয়াত—এসব প্রশ্নের উত্তর এই হাদিসে সহজভাবে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন খতমের ক্ষেত্রে সামর্থ্য ও নিয়ম দুটোই বিবেচ্য।
- নবীজি প্রথমে সহজ সময়সীমা দিয়েছেন, পরে কমিয়েছেন।
- সাত দিনের কমে নামিয়ে আনার বিষয়ে এই বর্ণনায় নিষেধ এসেছে।
- কুরআন তিলাওয়াতে দ্রুততার চেয়ে স্থিরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
