৯/৩৩. অধ্যায়ঃ
মালের হকসমূহ
সুনানে আবু দাউদ : ১৬৬৪
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১৬৬৪
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى الْمُحَارِبِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا غَيْلاَنُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ إِيَاسٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ { وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ } قَالَ كَبُرَ ذَلِكَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ فَقَالَ عُمَرُ - رضى الله عنه أَنَا أُفَرِّجُ عَنْكُمْ . فَانْطَلَقَ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنَّهُ كَبُرَ عَلَى أَصْحَابِكَ هَذِهِ الآيَةُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَفْرِضِ الزَّكَاةَ إِلاَّ لِيُطَيِّبَ مَا بَقِيَ مِنْ أَمْوَالِكُمْ وَإِنَّمَا فَرَضَ الْمَوَارِيثَ لِتَكُونَ لِمَنْ بَعْدَكُمْ " . فَكَبَّرَ عُمَرُ ثُمَّ قَالَ لَهُ " أَلاَ أُخْبِرُكَ بِخَيْرِ مَا يَكْنِزُ الْمَرْءُ الْمَرْأَةُ الصَّالِحَةُ إِذَا نَظَرَ إِلَيْهَا سَرَّتْهُ وَإِذَا أَمَرَهَا أَطَاعَتْهُ وَإِذَا غَابَ عَنْهَا حَفِظَتْهُ " .
ইবনু ‘আব্বাস (রা:) হতে বর্ণিতঃ
যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ’’যারা সোনা-রূপা সঞ্চিত করে রাখে …..) (সূরা আত-তাওবা : ৩৪), মুসলমানদের উপর তা ভারী মনে হলো। তখন উমর (রাঃ) বললেন, আমিই তোমাদের পক্ষ হতে এর সুষ্ঠু সমাধান নিয়ে আসব। অতঃপর তিনি গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর নবী (ﷺ)! এ আয়াতটি আপনার সঙ্গীদের উপর কষ্টকর অনুভূত হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের অতিরিক্ত মাল পবিত্র করার জন্যই যাকাত ফরজ করেছেন। আর তিনি উত্তরাধিকারীর ব্যবস্থা ফরজ করেছেন এজন্যই যেন তা তোমাদের পরবর্তীদের জন্য থাকে।বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর উমর (রাঃ) আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করলেন। তিনি (ﷺ) তাকে বললেনঃ আমি কি তোমাকে মানুষের সর্বোত্তম সম্পদ সম্পর্কে অবহিত করব না? তা হলো, নেককার স্ত্রী। সে তার দিকে তাকালে সে তাকে আনন্দ দেয় এবং তাকে কোন নির্দেশ দিলে সে তা মেনে নেয় এবং সে যখন তার থেকে অনুপস্থিত থাকে, তখন সে তার সতীত্ব ও তার সম্পদের হিফাযাত করে।
[১৬৬৪] হাকিম, বায়হাক্বী। ইমাম হাকিম বলেন, সানাদ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ। ইমাম যাহাবী তার সাথে একমত পোষণ করেছেন। সানাদের হাবীব ইবনু সালিম ও তার পরের জনকে শু’বাহ দুর্বল বলেছেন (আত-তাক্বরীব ১/১২৯)।
