১১/১০. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৪৩ - নিফাস অবস্থায় গোসল ও ইহরাম

ইহরাম বাঁধার সময় সুগন্ধি মাখা

নিফাস অবস্থায় ইহরাম বাঁধার শিক্ষা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৭৪৩

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ نُفِسَتْ أَسْمَاءُ بِنْتُ عُمَيْسٍ بِمُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ بِالشَّجَرَةِ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَبَا بَكْرٍ أَنْ تَغْتَسِلَ فَتُهِلَّ .

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আসমা’ বিনতু উমাইস (রাঃ) যুল-হুলায়ফায় আবূ বকর (রাঃ) এর ছেলে মুহাম্মাদকে প্রসব করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবূ বকর (রাঃ)-কে আদেশ দিলেন তিনি যেন গোসল করে ইহরাম বাঁধে।

[১৭৪৩]

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৪৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নিফাস অবস্থায় থাকা নারীর ইহরাম বিষয়ে স্পষ্ট শিক্ষা এসেছে। আস্মা বিনতে উমাইস (রাঃ) শজরায় মুহাম্মাদ ইবনু আবু বকরকে জন্ম দেন। তখন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আবু বকর (রাঃ)-কে আদেশ দেন, তিনি যেন আস্মা (রাঃ)-কে গোসল করতে বলেন এবং তিনি যেন ইহরাম বাঁধেন। এখানে মূল বিষয় হলো, সন্তান প্রসবের পর নিফাস অবস্থায় থাকলেও হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধা যায়। হাদিসে তাওয়াফ বা অন্য কাজের বিস্তারিত এখানে আসেনি; শুধু গোসল করে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ এসেছে। তাই এই বর্ণনা নারীদের হজ্জ-উমরার মাসআলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নিফাস অবস্থায়ও গোসল করে ইহরাম বাঁধা যায়।
  • হজ্জ-উমরার নিয়ম নারীদের অবস্থার প্রতি খেয়াল রেখে এসেছে।
  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুযায়ী ইবাদতের কাজ করা উচিত।
  • বিশেষ অবস্থায়ও ইবাদতের প্রস্তুতি বাদ দিতে হয় না।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন