১৩/৩৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৭৯ - খালার কাছে শিশুর হেফাজত
সন্তান লালন-পালনে অধিক হকদার কে?
খালার উপস্থিতিতে শিশুর হেফাজত
সুনানে আবূ দাউদ : ২২৭৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৭৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي فَرْوَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، بِهَذَا الْخَبَرِ وَلَيْسَ بِتَمَامِهِ قَالَ وَقَضَى بِهَا لِجَعْفَرٍ وَقَالَ " إِنَّ خَالَتَهَا عِنْدَهُ».
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এই সানাদে উক্ত ঘটনা অপূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণিত। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (ﷺ) উক্ত মেয়েটি জা’ফার (রাঃ)-কে দিলেন। কেননা তার খালা ছিলো জা’ফারের স্ত্রী।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পূর্বের ঘটনার অপূর্ণাঙ্গ বর্ণনা এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم মেয়েটিকে জাফর (রাঃ)-কে দিলেন, কারণ তার খালা জাফর (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও মূল শিক্ষা স্পষ্ট—শিশুর হেফাজতে খালার উপস্থিতি বড় বিবেচ্য বিষয় ছিল। খালা মায়ের মতো স্নেহ, যত্ন ও কাছের সম্পর্ক রাখেন—এই অর্থ পূর্বের পূর্ণ বর্ণনায় এসেছে। এখানে অতিরিক্ত দাবি বা দীর্ঘ আলোচনা নেই; শুধু ফায়সালার কারণটি বলা হয়েছে। তাই হাদিসটি শিশু লালন-পালন, আত্মীয়তার দায়িত্ব এবং হেফাজতের ক্ষেত্রে খালার অবস্থান বোঝাতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিশুর হেফাজতে খালার উপস্থিতি গুরুত্ব পেয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাতেও ফায়সালার মূল কারণ স্পষ্ট।
- হেফাজতের সিদ্ধান্তে শিশুর যত্নের পরিবেশ বিবেচিত হয়েছে।
- আত্মীয়তার সম্পর্ক শিশুর নিরাপত্তা ও লালনে সহায়ক হতে পারে।
