১৪/৭৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৪৬০ - সাওম অবস্থায় দাওয়াতের আদব
সওম পালনকারীকে বিবাহভোজের দাওয়াত দিলে
সাওম অবস্থায় দাওয়াত পেলে কী করবে
সুনানে আবূ দাউদ : ২৪৬০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৪৬০
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ فَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيَطْعَمْ وَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيُصَلِّ " . قَالَ هِشَامٌ وَالصَّلاَةُ الدُّعَاءُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ أَيْضًا عَنْ هِشَامٍ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে সে যেন তাতে যোগদান করে। সে রোজাহীন হলে যেন খাবার খায়, আর সাওম রেখে থাকলে যেন দাওয়াতকারীর জন্য দোয়া করে। হিশাম (রহঃ) বলেন, এখানে ‘সালাত’ অর্থ দোয়া।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৪৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দাওয়াতের আদব ও সাওমের অবস্থায় করণীয় বলেছেন। তিনি বলেন, তোমাদের কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেওয়া হলে সে যেন তাতে যোগ দেয়। যদি সে রোজাহীন থাকে, তাহলে খাবার খাবে। আর যদি সাওম অবস্থায় থাকে, তাহলে দাওয়াতকারীর জন্য দোয়া করবে। হিশাম (রহঃ) বলেন, এখানে ‘সালাত’ শব্দের অর্থ দোয়া। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো সামাজিক সম্পর্কে অংশ নেওয়া এবং নিজের সাওমের অবস্থাকে সুন্দরভাবে সামলানো। দাওয়াত, সাওম, রোজাদারের দোয়া—এসব বিষয় এখানে সরাসরি এসেছে। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, সাওম রাখলেও মানুষের দাওয়াত পুরোপুরি উপেক্ষা না করে ভালোভাবে সাড়া দেওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাওয়ার দাওয়াত পেলে সাড়া দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- রোজাহীন হলে খাবার খাওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- সাওম অবস্থায় থাকলে দাওয়াতকারীর জন্য দোয়া করতে বলা হয়েছে।
- এখানে ‘সালাত’ শব্দের অর্থ দোয়া বলা হয়েছে।
