১৪/৭৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৪৬১ - রোজাদারের দাওয়াতের আদব
খাবার খেতে ডাকলে সওম পালনকারী যা বলবে
রোজাদারের দাওয়াতের আদব ও সাওমের সম্মান
সুনানে আবূ দাউদ : ২৪৬১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৪৬১
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কোন (সাওম পালনকারী) ব্যক্তিকে খাবার দাওয়াত দেয়া হলে সে যেন বলে, নিশ্চয়ই আমি রোজাদার।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৪৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রোজাদারের দাওয়াতের আদব খুব সহজভাবে শেখানো হয়েছে। কেউ সাওম অবস্থায় খাবারের দাওয়াত পেলে তার জন্য করণীয় হলো নম্রভাবে বলা, “আমি রোজাদার।” এতে দাওয়াতদাতার প্রতি অসম্মান নেই, আবার নিজের ইবাদতের কথাও পরিষ্কার হয়ে যায়। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, রোজা রাখলে মানুষের আচরণে ভদ্রতা ও সংযম থাকা উচিত। খাবার সামনে এলেও রোজাদার তাড়াহুড়া করে কোনো কঠিন কথা বলবে না; বরং নিজের অবস্থাটি জানাবে। এই কারণে “রোজাদারের দাওয়াতের আদব”, “রোজা রেখে দাওয়াত” এবং “আমি রোজাদার বলা” বিষয়গুলো এই হাদিসের গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোজাদারকে খাবারের দাওয়াত দিলে সে নিজের সাওমের কথা শান্তভাবে জানাবে।
- ইবাদতের কারণে কোনো দাওয়াত ফিরিয়ে দিলে ভাষা নম্র হওয়া উচিত।
- রোজা শুধু না খাওয়া নয়; কথাবার্তায়ও সংযম শেখায়।
- নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলে ভুল বোঝাবুঝি কমে।
