১৬/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৭৮৯ - কোরবানির দিন ও পরিচ্ছন্নতার আমল
কুরবানী ওয়াজিব হওয়া সম্পর্কে
কোরবানির দিন ঈদ ও পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৭৮৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৭৮৯
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ الْقِتْبَانِيُّ، عَنْ عِيسَى بْنِ هِلاَلٍ الصَّدَفِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ " أُمِرْتُ بِيَوْمِ الأَضْحَى عِيدًا جَعَلَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لِهَذِهِ الأُمَّةِ " . قَالَ الرَّجُلُ أَرَأَيْتَ إِنْ لَمْ أَجِدْ إِلاَّ أُضْحِيَةً أُنْثَى أَفَأُضَحِّي بِهَا قَالَ " لاَ وَلَكِنْ تَأْخُذُ مِنْ شَعْرِكَ وَأَظْفَارِكَ وَتَقُصُّ شَارِبَكَ وَتَحْلِقُ عَانَتَكَ فَتِلْكَ تَمَامُ أُضْحِيَتِكَ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ আমি কুরবানীর দিনকে ঈদ উদযাপন করতে নির্দেশপ্রাপ্ত হয়েছি। আল্লাহ এ দিনকে এ উম্মতের জন্য ঈদ হিসাবে নির্দিষ্ট করেছেন। এক ব্যক্তি বললো, আপনার অভিমত ব্যক্ত করুন, আমি (আমার প্রতিপালিত) দুগ্ধবতী বা মালবাহী পশু ছাড়া অন্য পশু না পেলে কি তা দিয়েই কুরবানী করবো? তিনি বললেনঃ না, বরং তুমি তোমার চুল ও নখ কাটবে, গোঁফ ছোট করবে এবং নাভির নিচের লোম কাটবে। এ কাজগুলোই আল্লাহর নিকট তোমার পূর্ণাঙ্গ কুরবানী।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৭৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিনি কোরবানির দিনকে ঈদ হিসেবে উদযাপনের নির্দেশ পেয়েছেন। আল্লাহ এই দিনকে উম্মতের জন্য ঈদ করেছেন। একজন ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, যদি তার কাছে দুগ্ধবতী বা মালবাহী পশু ছাড়া অন্য পশু না থাকে, তবে সে কি সেটি দিয়ে কোরবানি করবে? নবী (صلى الله عليه وسلم) বললেন, না। বরং সে চুল ও নখ কাটবে, গোঁফ ছোট করবে এবং নাভির নিচের লোম কাটবে। হাদিসে বলা হয়েছে, এ কাজগুলো আল্লাহর কাছে তার পূর্ণাঙ্গ কোরবানি। এখানে “ঈদুল আযহা”, “কোরবানির দিন”, “কোরবানি না পেলে করণীয়” এবং “পরিচ্ছন্নতার আমল” বিষয়গুলো সরাসরি এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কোরবানির দিন এই উম্মতের জন্য ঈদের দিন।
- যে পশু কোরবানির উপযুক্ত নয়, সেটি দিয়ে কোরবানি করতে বলা হয়নি।
- চুল, নখ, গোঁফ ও শরীরের পরিচ্ছন্নতার আমল উল্লেখ হয়েছে।
- সামর্থ্য ও অবস্থার ভিত্তিতে আমলের দিকনির্দেশনা এসেছে।
