১৬/১০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮১৩ - কুরবানির গোশত ও আল্লাহর স্মরণ
কুরবানীর গোশত সংরক্ষণ করে রাখা
কুরবানির গোশত ও আল্লাহর স্মরণের দিন
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮১৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮১৩
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِنَّا كُنَّا نَهَيْنَاكُمْ عَنْ لُحُومِهَا أَنْ تَأْكُلُوهَا فَوْقَ ثَلاَثٍ لِكَىْ تَسَعَكُمْ فَقَدْ جَاءَ اللَّهُ بِالسَّعَةِ فَكُلُوا وَادَّخِرُوا وَاتَّجِرُوا أَلاَ وَإِنَّ هَذِهِ الأَيَّامَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ وَذِكْرِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ " .
নুবায়শাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমরা তোমাদেরকে তিন দিনের অধিক কুরবানীর গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছিলাম, যাতে গোশ্ত তোমাদের সকলের নিকট পৌঁছে যায়। আল্লাহ এখন তোমাদের দারিদ্র মোচন করেছেন। কাজেই এখন তোমরা তা খাও, জমা করে রাখো এবং সদাক্বাহ করে নেকী অর্জন করো। জেনে রেখো, এ দিনগুলো পানাহারের দিন এবং মহান আল্লাহকে স্মরণ করার দিন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কুরবানির গোশত সম্পর্কে আগের নিষেধাজ্ঞার কারণ এবং পরবর্তী অনুমতি পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, আগে তিন দিনের বেশি কুরবানির গোশত খেতে নিষেধ করা হয়েছিল যাতে গোশত সবার কাছে পৌঁছে যায়। এরপর আল্লাহ সচ্ছলতা দিয়েছেন, তাই এখন খাও, জমা করে রাখো এবং সদকা করে নেকী অর্জন করো। হাদিসের শেষ অংশে আরও বলা হয়েছে, এই দিনগুলো পানাহারের দিন এবং মহান আল্লাহকে স্মরণ করার দিন। এতে বোঝা যায়, ঈদুল আজহার দিনগুলো শুধু খাওয়ার আনন্দ নয়; বরং আল্লাহর স্মরণ, কৃতজ্ঞতা ও ভাগাভাগির দিন। কুরবানির গোশত, সদকা, জমা রাখা এবং আল্লাহর জিকির—এই হাদিসের মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির গোশত খাওয়া, জমা রাখা ও সদকা করার অনুমতি এসেছে।
- আগের নিষেধ ছিল যাতে গোশত সবার কাছে পৌঁছায়।
- ঈদের দিনগুলো খাওয়া-দাওয়া ও আল্লাহকে স্মরণের দিন।
- কুরবানির আনন্দে দান ও কৃতজ্ঞতার দিক থাকা উচিত।
