১৬/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৩১ - ইসলামে ফারাআ ও আতীরাহ নেই
আতীরাহ বা রজব মাসের কুরবানী
ইসলামে ফারাআ ও আতীরাহ নেই
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮৩১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৩১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «لاَ فَرَعَ وَلاَ عَتِيرَةَ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ ইসলামে কোন ফারা’আ নাই এবং ‘আতীরাহও নাই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم সংক্ষেপে বলেছেন, ইসলামে কোনো ফারাআ নেই এবং আতীরাহও নেই। ফারাআ ও আতীরাহ ছিল জাহিলি যুগের সঙ্গে যুক্ত কিছু যবেহের রীতি। এই বর্ণনায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা নেই; শুধু সরাসরি নিষেধ বা অস্বীকৃতির ভাষা এসেছে। তাই ব্যাখ্যার সময় অতিরিক্ত ইতিহাস যোগ না করে মূল কথাটি বলা উচিত। হাদিসটি বুঝতে কাছাকাছি বর্ণনাগুলোতে ফারাআ ও আতীরাহ কী ছিল, তা আলোচনা হয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইসলাম এমন যবেহ বা উৎসর্গকে সমর্থন করে না, যা জাহিলি রীতি বা ভুল উদ্দেশ্যের সঙ্গে জড়িত। যবেহের ক্ষেত্রে আল্লাহর নাম, আনুগত্য এবং সঠিক উদ্দেশ্যই মুখ্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফারাআ ও আতীরাহকে ইসলামের নিয়ম হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
- জাহিলি রীতির সঙ্গে যুক্ত যবেহ থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
- ইবাদত ও যবেহের ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টিই লক্ষ্য হওয়া উচিত।
