১৯/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৮৮ - কালালাহর শেষ আয়াত
যার সন্তান নেই কিন্তু বোন আছে
কালালাহ বিষয়ে শেষ অবতীর্ণ আয়াত
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮৮৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৮৮
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ آخِرُ آيَةٍ نَزَلَتْ فِي الْكَلاَلَةِ ﴾ يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِ ﴿ .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘কালালাহ’ সম্পর্কিত আয়াত সবশেষে অবতীর্ণ হয়ঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন…” (সূরা আন-নিসাঃ ১৭৬)।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) বলেন, কালালাহ সম্পর্কিত শেষ আয়াত হলো—“লোকেরা তোমার কাছে ফাতওয়া জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কে ফাতওয়া দিচ্ছেন...”। এখানে মূল বিষয় কালালাহর মীরাস। হাদিসটি ছোট হলেও এর শিক্ষা গভীর। উত্তরাধিকার বণ্টনে কিছু বিষয় মানুষের কাছে কঠিন হতে পারে, তাই সাহাবীরা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতেন। আল্লাহ নিজেই কালালাহ সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, মীরাসের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে নিজের মনমতো সিদ্ধান্ত নয়, কুরআনের নির্দেশ অনুসরণ করতে হয়। এই হাদিসে কালালাহ আয়াতের গুরুত্ব এবং ফারায়েজের জ্ঞান শেখার প্রয়োজন স্পষ্ট হয়। ব্যাখ্যায় আয়াতের বাইরে অতিরিক্ত ফিকহি বিশদে না গিয়ে মূল কথার মধ্যেই থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কালালাহর মীরাস কুরআনের নির্দেশের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।
- উত্তরাধিকার বিষয়ে প্রশ্ন করা ও জ্ঞান নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
- সম্পদ বণ্টনে আল্লাহর বিধানকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
- ছোট হাদিসেও গুরুত্বপূর্ণ মীরাস শিক্ষা থাকতে পারে।
