১৯/৫. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৯৫ - দাদীর এক-ষষ্ঠাংশ মীরাস

দাদীর অংশ

মৃতের মা না থাকলে দাদীর মীরাস

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৯৫

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رِزْمَةَ، أَخْبَرَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ أَبُو الْمُنِيبِ الْعَتَكِيُّ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ جَعَلَ لِلْجَدَّةِ السُّدُسَ إِذَا لَمْ تَكُنْ دُونَهَا أُمٌّ .

ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) দাদী ও নানীর জন্য এক-ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন; যদি মৃতের মা জীবিত না থাকে। _x000b_

দুর্বল: মিশকাত (৩০৪৯)।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৯৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) দাদীর মীরাসের অংশ নির্ধারণ করেছেন। বর্ণনায় এসেছে, মৃত ব্যক্তির মা জীবিত না থাকলে দাদীর জন্য এক-ষষ্ঠাংশ নির্ধারিত। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু ফারায়েজ বা মীরাসের জ্ঞানে এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উত্তরাধিকার বণ্টনে কে জীবিত আছে এবং কে নেই—এটি অংশ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, মা না থাকলে দাদীর অংশ এক-ষষ্ঠাংশ। তাই ব্যাখ্যায় এই শর্তটি স্পষ্ট রাখা জরুরি। এটি দাদি-নানির অধিকার সংক্রান্ত আগের বর্ণনার সাথে মিল রেখে বোঝা যায়। ইসলামী মীরাসে নারীর অধিকার কেবল কন্যা বা স্ত্রীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; নির্দিষ্ট অবস্থায় দাদীরও অংশ আছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মৃতের মা জীবিত না থাকলে দাদীর জন্য এক-ষষ্ঠাংশ অংশ এসেছে।
  • মীরাস বণ্টনে জীবিত ওয়ারিসদের অবস্থা যাচাই করতে হয়।
  • দাদীর অধিকারকে হাদিসে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিসও উত্তরাধিকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম দেয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন