১৯/১৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯২০ - নবজাতকের উত্তরাধিকার
সদ্য প্রসূত শিশু কান্নার পর মারা গেলে সে সম্পর্কে
নবজাতক কান্না করলে মীরাস পাবে
সুনানে আবূ দাউদ : ২৯২০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৯২০
حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «إِذَا اسْتَهَلَّ الْمَوْلُودُ وُرِّثَ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ শিশু ভূমিষ্ঠ হয়ে কান্নার শব্দ করে মারা গেলে তাকে ওয়ারিস গণ্য করবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯২০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, শিশু ভূমিষ্ঠ হয়ে কান্নার শব্দ করলে তাকে ওয়ারিস গণ্য করা হবে। অর্থাৎ জন্মের পর জীবিত থাকার একটি চিহ্ন প্রকাশ পেলে তার উত্তরাধিকার বিবেচনা করা হবে। হাদিসের ভাষায় ‘কান্নার শব্দ’ উল্লেখ আছে, তাই ব্যাখ্যায় এই নির্দিষ্ট বিষয়টি ধরে রাখা উচিত। এখানে বড় কোনো অতিরিক্ত নিয়ম যোগ করার দরকার নেই। মূল কীওয়ার্ড হলো ‘নবজাতকের মীরাস’, ‘শিশু জন্মের পর উত্তরাধিকার’, ‘কান্না করলে ওয়ারিস’। হাদিসটি দেখায়, মীরাসের ক্ষেত্রে জন্ম ও জীবনের চিহ্নের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সম্পদ বণ্টনের আগে এমন বিষয় যাচাই করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জন্মের পর শিশুর জীবিত থাকার চিহ্ন মীরাসে গুরুত্বপূর্ণ।
- কান্নার শব্দ হলে শিশুকে ওয়ারিস গণ্য করা হবে।
- মীরাস বণ্টনে নবজাতকের অধিকারও বিবেচিত হয়।
- সম্পদ ভাগের আগে সংশ্লিষ্ট সব প্রাপকের অবস্থা যাচাই দরকার।
