২৫/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৮৮ - বিচারকের সামনে উভয় পক্ষ
বিচারকের সামনে বাদী-বিবাদীর বসার নিয়ম
বিচারকের সামনে বাদী-বিবাদীর সমান উপস্থিতি
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৫৮৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৫৮৮
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنَّ الْخَصْمَيْنِ يَقْعُدَانِ بَيْنَ يَدَىِ الْحَكَمِ.
'আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, বাদী-বিবাদী উভয়ে বিচারকের সামনে বসবে।
[৩৫৮৮]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিচার প্রক্রিয়ার একটি সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ আদব এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষ বিচারকের সামনে বসবে। এর অর্থ, বিচার এমনভাবে হবে যেখানে দুই পক্ষ উপস্থিত থাকবে এবং বিচারক তাদের কথা শোনার সুযোগ পাবেন। এই শিক্ষা হাদিস ৩৫৮২-এর মূলনীতির সঙ্গে মিলে যায়: এক পক্ষের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নয়, বরং উভয় পক্ষের বক্তব্য জানা দরকার। বিচারকের সামনে উভয় পক্ষের বসা শুধু আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়; এটি ন্যায়বিচার, সমান সুযোগ এবং সন্দেহ কমানোর একটি উপায়। তাই আদালত, সালিশ বা পারিবারিক মীমাংসা—সব ক্ষেত্রেই পক্ষ দুটির কথা শোনা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিচারে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের উপস্থিতি জরুরি।
- সমানভাবে কথা শোনার সুযোগ ন্যায়ের অংশ।
- একতরফা শুনানি ভুল সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে।
- বিচারের পরিবেশ পরিষ্কার ও ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া উচিত।
