২৫/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৮৯ - রাগের সময় বিচার নয়
রাগের সাথে বিচারকের সিদ্ধান্ত দেয়া নিষেধ
রাগের সময় বিচার না করার নববী নির্দেশ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৫৮৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৫৮৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَتَبَ إِلَى ابْنِهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ يَقْضِي الْحَكَمُ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ».
আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি তাঁর পুত্র ‘আবদুর রহমানকে এ মর্মে লিখলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দু’পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত না দেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিচারকের মানসিক অবস্থার গুরুত্ব স্পষ্ট করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দুই পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত না দেন। রাগ মানুষের মনকে অস্থির করতে পারে, কথা বোঝার ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এবং ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। হাদিসটি বিচারককে সতর্ক করে যে শুধু আইন বা তথ্য জানাই যথেষ্ট নয়; সিদ্ধান্ত দেওয়ার সময় মন শান্ত থাকা দরকার। এটি আদালতের বিচার, সালিশ, পারিবারিক বিবাদ মীমাংসা—সব জায়গায় প্রযোজ্য শিক্ষা দেয়। রাগ থাকলে কথা ভুল বোঝা, পক্ষপাত হওয়া, বা তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্তের আশঙ্কা থাকে। তাই বিচার, সিদ্ধান্ত ও ন্যায়বিচারের সঙ্গে ধৈর্য গভীরভাবে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাগের সময় বিচার বা বড় সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয়।
- শান্ত মন ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্তে সাহায্য করে।
- বিচারকের শুধু জ্ঞান নয়, ধৈর্যও দরকার।
- বিবাদ মীমাংসায় তাড়াহুড়ো ও উত্তেজনা এড়ানো উচিত।
