২৬/১৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৬৫ - কিস্সা বর্ণনায় সতর্কতা
কিসসা-কাহিনী প্রসঙ্গ
কিস্সা বর্ণনায় অহংকার থেকে সাবধান
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬৬৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬৬৫
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، حَدَّثَنِي عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ الْخَوَّاصُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي عَمْرٍو السَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ الأَشْجَعِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ «لاَ يَقُصُّ إِلاَّ أَمِيرٌ أَوْ مَأْمُورٌ أَوْ مُخْتَالٌ» .
আওফ ইবনু মালিক আল-আশজাঈ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
শাসক, তার অধীনস্থ ব্যক্তি বা কোন অহংকারী ব্যতীত আর কেউই কিস্সা বর্ণনা করে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সতর্ক বাণী এসেছে। তিনি বলেছেন, শাসক, তার অধীনস্ত ব্যক্তি বা কোনো অহংকারী ছাড়া আর কেউ কিস্সা বর্ণনা করে না। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাও সংযত রাখা দরকার। এখানে কিস্সা বর্ণনা বলতে এমন কথকতার দিকে ইঙ্গিত থাকতে পারে, যেখানে মানুষকে প্রভাবিত করা, নিজের অবস্থান দেখানো বা নির্দেশ পালনের বিষয় থাকে। সরাসরি হাদিস থেকে যে শিক্ষা পাওয়া যায় তা হলো, গল্প বলা বা ধর্মীয় আলোচনা করার সময় অহংকার থাকা ঠিক নয়। কথা বলার সুযোগ পেলে বিনয় দরকার। মানুষের সামনে বলা কথা যেন নিজের বড়ত্ব দেখানোর উপায় না হয়। জ্ঞান, বর্ণনা ও কিস্সা—সব ক্ষেত্রেই নিয়ত পরিষ্কার রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিস্সা বর্ণনার ক্ষেত্রে অহংকার থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
- মানুষের সামনে কথা বলা নিজের বড়ত্ব দেখানোর মাধ্যম হওয়া উচিত নয়।
- ধর্মীয় বর্ণনায় দায়িত্ব ও বিনয় থাকা চাই।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে অতিরিক্ত দাবি না করে মূল সতর্কতা গ্রহণ করা উচিত।
