৩৪/২৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০৯৪ - লুঙ্গি জামা পাগড়ি টেনে চলা
লুঙ্গি-পাজামার নিচ দিকের সীমা
অহংকারে পোশাক হেঁচড়ানোর সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪০৯৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪০৯৪
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْجُعْفِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " الإِسْبَالُ فِي الإِزَارِ وَالْقَمِيصِ وَالْعِمَامَةِ مَنْ جَرَّ مِنْهَا شَيْئًا خُيَلاَءَ لَمْ يَنْظُرِ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
সালিম ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) লুঙ্গি, জামা ও পাগড়ী হেঁচড়ানো সম্পর্কে বলেন, যে ব্যক্তি অহংকারবশত এর কোনটি হেঁচড়িয়ে চলে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাঁর দিকে তাকাবেন না। [নাসায়ী, ইবনু মাযাহ]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) লুঙ্গি, জামা ও পাগড়ি—তিন ধরনের পরিধেয় জিনিসের কথা বলেছেন। কেউ যদি এগুলোর কোনোটি অহংকারবশে হেঁচড়িয়ে চলে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। এখানে পোশাকের বিষয়টি শুধু লুঙ্গির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; জামা ও পাগড়িও উল্লেখ হয়েছে। মূল শিক্ষা হলো, পোশাক যেন অহংকারের বাহন না হয়। মানুষ পোশাক পরবে শালীনতা, পরিচ্ছন্নতা ও প্রয়োজনের জন্য; নিজেকে বড় দেখানোর জন্য নয়। এই হাদিস ইসবাল, অহংকার এবং পোশাকের আদবকে একসঙ্গে সামনে আনে। তাই পোশাক যতই সুন্দর হোক, তা যেন বিনয়ের সীমা ছাড়িয়ে না যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লুঙ্গি, জামা ও পাগড়ি অহংকারের ভঙ্গিতে টানা থেকে বারণ এসেছে।
- পোশাকের মাধ্যমে নিজেকে বড় দেখানোর প্রবণতা বিপজ্জনক।
- ইসলামে পোশাকের সঙ্গে বিনয়ের সম্পর্ক আছে।
- কিয়ামতের সতর্কতা মানুষকে অহংকার থেকে ফেরায়।
