৩৫/১৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৯৩ - শিশুদের কযা‘আ নিষেধ

গুচ্ছচুল সম্পর্কে

কযা‘আ কী এবং কেন তা নিষেধ করা হয়েছে

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪১৯৩

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ، - قَالَ أَحْمَدُ كَانَ رَجُلاً صَالِحًا - قَالَ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الْقَزَعِ وَالْقَزَعُ أَنْ يُحْلَقَ رَأْسُ الصَّبِيِّ فَيُتْرَكَ بَعْضُ شَعْرِهِ.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাযা’আ করতে বারণ করেছেন। কাযা’আ হলো শিশুদের মাথায় কিছু চুল অবশিষ্ট রেখে কিছু চুল কামিয়ে ফেলা।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৯৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কযা‘আ করতে বারণ করেছেন। এরপর কযা‘আর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে—শিশুর মাথার কিছু চুল কামিয়ে কিছু চুল রেখে দেওয়া। হাদিসটি খুব পরিষ্কার। এখানে শিশুদের চুল কাটার একটি নির্দিষ্ট ধরনের কাজ নিষেধ করা হয়েছে। মূল বিষয় হলো, মাথার চুল এমনভাবে কাটা যাবে না যাতে কিছু অংশ কামানো থাকে আর কিছু অংশ অকারণে রেখে দেওয়া হয়। এই হাদিস শিশুদের চুলের আদব, চুল কাটার সুন্নাহসম্মত শালীনতা এবং অদ্ভুত ধরনের কাটিং এড়ানোর শিক্ষা দেয়। তবে হাদিসের ভাষা অনুযায়ী আলোচনাটি শিশুদের মাথার চুলের কযা‘আ নিয়ে। তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কযা‘আ হলো মাথার কিছু চুল কামিয়ে কিছু রেখে দেওয়া।
  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) শিশুদের ক্ষেত্রে কযা‘আ করতে নিষেধ করেছেন।
  • চুল কাটার ক্ষেত্রেও শালীনতা ও ভারসাম্য রাখা উচিত।
  • হাদিসে নিষিদ্ধ পদ্ধতি পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন