৩৫/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৯৪ - মাথায় কিছু চুল রেখে কামানো নিষেধ
গুচ্ছচুল সম্পর্কে
শিশুর মাথায় কজাআ নিষেধের পরিষ্কার বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪১৯৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪১৯৪
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ نَهَى عَنِ الْقَزَعِ وَهُوَ أَنْ يُحْلَقَ رَأْسُ الصَّبِيِّ فَتُتْرَكَ لَهُ ذُؤَابَةٌ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) কাযা’আ করতে নিষেধ করেছেন। তা হলো শিশুদের মাথা কামিয়ে তাতে কিছু চুল অবশিষ্ট রাখা।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) কজাআ করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসেই এর ব্যাখ্যা এসেছে—শিশুর মাথা কামানো, কিন্তু তাতে কিছু চুল অবশিষ্ট রাখা। অর্থাৎ মাথার এক অংশ কামিয়ে অন্য অংশে চুল রেখে দেওয়া। এটি 4193 নম্বর হাদিসের বিষয়ের সঙ্গে সরাসরি মিল রাখে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, হাদিস নিজেই নিষিদ্ধ কাজটির ধরন বুঝিয়ে দিয়েছে। তাই ব্যাখ্যার জন্য বাইরে থেকে বড় আলোচনা আনার দরকার নেই। শিশুদের চুল কাটার ক্ষেত্রে পরিপাটি ও ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি গ্রহণ করা এই হাদিসের সরল শিক্ষা। কজাআ নিষেধের হাদিস খুঁজলে এই বর্ণনা সরাসরি প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কজাআ বলতে শিশুর মাথা কামিয়ে কিছু চুল রেখে দেওয়া বোঝায়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) এই ধরনের চুল কাটার পদ্ধতি নিষেধ করেছেন।
- শিশুদের চুল কাটার ক্ষেত্রেও পরিপাটির দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
- হাদিসের ব্যাখ্যা হাদিসের ভেতরেই স্পষ্টভাবে এসেছে।
