৩৫/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৯৫ - সব চুল রাখো বা সব কামাও
গুচ্ছচুল সম্পর্কে
কযা‘আ এড়িয়ে সব চুল রাখা বা সব কামানোর শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪১৯৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪১৯৫
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ رَأَى صَبِيًّا قَدْ حُلِقَ بَعْضُ شَعْرِهِ وَتُرِكَ بَعْضُهُ فَنَهَاهُمْ عَنْ ذَلِكَ وَقَالَ " احْلِقُوهُ كُلَّهُ أَوِ اتْرُكُوهُ كُلَّهُ " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা নবী (ﷺ) দেখলেন যে, একটি শিশুর মাথার কিছু অংশ কামানো আর কিছুটা অবশিষ্ট রাখা আছে। তিনি তাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেনঃ হয় সবটুকু কামিয়ে ফেলো নতুবা সবটুকু রেখে দাও।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কযা‘আ নিষেধের বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) এক শিশুকে দেখলেন, তার মাথার কিছু অংশ কামানো হয়েছে আর কিছু অংশ রেখে দেওয়া হয়েছে। তিনি তাদের এ কাজ করতে নিষেধ করলেন। এরপর বললেন, হয় সবটুকু কামিয়ে ফেলো, নতুবা সবটুকু রেখে দাও। এই বাক্যটি খুব পরিষ্কার ও সহজ। চুল কাটার ক্ষেত্রে অর্ধেক-অর্ধেক, অস্বাভাবিক বা কযা‘আ ধরনের পদ্ধতি এড়াতে বলা হয়েছে। শিশুদের চুলের আদব সম্পর্কে এটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মাথার চুল কাটতে হলে সমানভাবে করা, আর না কাটলে রেখে দেওয়া। হাদিসটি অতিরঞ্জিত কোনো দাবি করে না; বরং চুল কাটার একটি নির্দিষ্ট নিষিদ্ধ ধরন থেকে বিরত থাকতে বলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাথার কিছু অংশ কামিয়ে কিছু অংশ রেখে দেওয়া নিষেধ।
- নবীজি নির্দেশ দিয়েছেন—সব কামাও অথবা সব রেখে দাও।
- শিশুদের চুল কাটার ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি দরকার।
- কযা‘আ নিষেধের বিষয়টি এই হাদিসে খুব স্পষ্ট।
