৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
ঈমানদার ব্যক্তিকে হত্যা করা গুরুতর অপরাধ
সুনানে আবু দাউদ : ৪২৭৩
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৪২৭৩
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَوْ حَدَّثَنِي الْحَكَمُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ لَمَّا نَزَلَتِ الَّتِي فِي الْفُرْقَانِ { وَالَّذِينَ لاَ يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلاَ يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلاَّ بِالْحَقِّ } قَالَ مُشْرِكُو أَهْلِ مَكَّةَ قَدْ قَتَلْنَا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ وَدَعَوْنَا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَأَتَيْنَا الْفَوَاحِشَ . فَأَنْزَلَ اللَّهُ { إِلاَّ مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلاً صَالِحًا فَأُولَئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ } فَهَذِهِ لأُولَئِكَ قَالَ وَأَمَّا الَّتِي فِي النِّسَاءِ { وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ } الآيَةُ قَالَ الرَّجُلُ إِذَا عَرَفَ شَرَائِعَ الإِسْلاَمِ ثُمَّ قَتَلَ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ لاَ تَوْبَةَ لَهُ . فَذَكَرْتُ هَذَا لِمُجَاهِدٍ فَقَالَ إِلاَّ مَنْ نَدِمَ .
সাঈদ ইবনু জুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে উপরোক্ত আয়াত সম্পর্কে বললাম। সূরা ফুরকানের এই আয়াত যখন নাযিল হলোঃ ’’যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন কিছুকে ইলাহ বলে ডাকে না এবং যে প্রাণ হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করে না; কিন্তু ন্যায়ের জন্য তা করে।” তখন মক্কার মুশরিকরা বললো, আমরাই তো আল্লাহর নিষিদ্ধ করা প্রাণ হত্যা করেছি এবং আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহকে ডেকেছি ও ব্যভিচার করেছি। মহান আল্লাহ তখন অবতীর্ণ করলেনঃ ’’কিন্তু যারা তাওবা করবে ও ঈমান এনে সৎকাজ করবে, আল্লাহ তাদের অন্যায়গুলো পরিবর্তন করে নেকী দিবেন”। আর এ আয়াত তাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। সূরা আন-নিসার এই আয়াত সম্পর্কে ’’যে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মুমিনকে হত্যা করবে, তার পরিণাম হবে জাহান্নাম” (৪:৯৩)। ব্যক্তি যখন ইসলামের শরীয়তের পরিচয় পাওয়ার পর কোন মুমিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার পরিণাম জাহান্নাম। তার কোন তাওবা কবুল হবে না। একথা মুজাহিদের নিকট বর্ণনা করায় তিনি বললেন, কিন্তু যে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে তাওবা করবে তার তাওবা গ্রহণ হবে।
