২/১০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৩৪ - বিলম্বে সালাত পড়া শাসকদের সাথে জামাত
ইমাম ওয়াক্ত মোতাবেক সালাত আদায়ে বিলম্ব করলে
শাসক সালাত বিলম্ব করলে তাদের সাথে জামাতে দাঁড়ানোর শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৩৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৩৪
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو هَاشِمٍ، - يَعْنِي الزَّعْفَرَانِيَّ - حَدَّثَنِي صَالِحُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ وَقَّاصٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " يَكُونُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ مِنْ بَعْدِي يُؤَخِّرُونَ الصَّلاَةَ فَهِيَ لَكُمْ وَهِيَ عَلَيْهِمْ فَصَلُّوا مَعَهُمْ مَا صَلَّوُا الْقِبْلَةَ " .
কাবীসাহ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার পরে তোমাদের এমন শাসকগণ আসবে, যারা বিলম্বে সালাত আদায় করবে। এতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই, বরং তাদের জন্যই ক্ষতিকর। যতদিন পর্যন্ত তারা কেবলামুখী হয়ে সালাত আদায় করবে ততদিন পর্যন্ত তোমরা তাদের সাথে সালাত আদায় করতে থাকবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তাঁর পরে এমন শাসক আসবে যারা সালাত বিলম্বে আদায় করবে। তিনি জানান, এতে তোমাদের ক্ষতি নেই; বরং তাদের জন্যই ক্ষতিকর। এরপর নির্দেশ এসেছে, যতদিন তারা কেবলামুখী হয়ে সালাত আদায় করবে, ততদিন তোমরা তাদের সাথে সালাত আদায় করবে। এই হাদিসে সালাত বিলম্বের দায় এবং জামাতের সাথে থাকা—দুইটি বিষয় একসাথে এসেছে। যারা সময়মতো সালাতের হেফাজত করবে, তারা নিজের দায়িত্ব পালন করবে। আর যারা বিলম্ব করে, বিলম্বের দায় তাদের উপর। তবে কিবলার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করলে তাদের সাথে জামাতে থাকার কথা বলা হয়েছে। তাই এই হাদিসকে বুঝতে হলে অতিরিক্ত বিতর্ক না এনে সরাসরি বর্ণনার ভাষাই ধরা দরকার। মূল কথা হলো—সালাতের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া এবং মুসলিম জামাতের শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শাসক সালাত বিলম্ব করলে বিলম্বের দায় তাদের উপর।
- কেবলামুখী হয়ে সালাত পড়লে তাদের সাথে জামাতের নির্দেশ এসেছে।
- নিজের সালাতের দায়িত্ব নিজেকেই বুঝতে হবে।
- সালাতের সময় ও জামাত—দুইয়ের গুরুত্ব হাদিসে আছে।
