৪০/১৭. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪০৪ - সাবালেগ নির্ণয়ের লক্ষণ

নাবালকের অপরাধের শাস্তি

সাবালেগ নির্ণয়ের লক্ষণ সম্পর্কে হাদিস

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৪০৪

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي عَطِيَّةُ الْقُرَظِيُّ، قَالَ كُنْتُ مِنْ سَبْىِ بَنِي قُرَيْظَةَ فَكَانُوا يَنْظُرُونَ فَمَنْ أَنْبَتَ الشَّعْرَ قُتِلَ وَمَنْ لَمْ يُنْبِتْ لَمْ يُقْتَلْ فَكُنْتُ فِيمَنْ لَمْ يُنْبِتْ .

‘আত্বিয়্যাহ আল-কুরাযী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

তারা দেখতো, যার নাভির নীচে চুল উঠেছে, তাকে হত্যা করা হতো; আর যার উঠেনি, তাকে হত্যা করা হতো না। আর আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। যাদের তা উঠেনি।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪০৪-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আত্বিয়্যাহ আল-কুরাযী (রাঃ) নিজের ঘটনা বলেছেন। তিনি বনী কুরাইযার বন্দীদের মধ্যে ছিলেন। তখন দেখা হতো, কার নাভীর নিচে চুল উঠেছে আর কার ওঠেনি। যার চুল উঠেছিল, তাকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে গণ্য করে হত্যা করা হতো; আর যার ওঠেনি, তাকে হত্যা করা হতো না। আত্বিয়্যাহ (রাঃ) বলেন, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যাদের চুল ওঠেনি। এই হাদিসে সাবালেগ নির্ণয়ের একটি শারীরিক লক্ষণের কথা এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, বয়স বা অবস্থা যাচাই ছাড়া বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি; বরং একটি দৃশ্যমান লক্ষণ দেখে পার্থক্য করা হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সাবালেগ নির্ণয়ে শারীরিক লক্ষণ বিবেচনায় এসেছে।
  • নাবালেগ ও সাবালেগের মধ্যে বিচারিক পার্থক্য রাখা হয়েছে।
  • গুরুতর সিদ্ধান্তে ব্যক্তির অবস্থা যাচাই করা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন