৪০/২৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪৩৩ - নেশাগ্রস্ততা যাচাই
মাইয ইবনু মালিককে রজম করার ঘটনা
স্বীকারোক্তির আগে নেশাগ্রস্ততা যাচাই
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৪৩৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৪৩৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى بْنِ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ غَيْلاَنَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ اسْتَنْكَهَ مَاعِزًا .
ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তাঁর পিতা হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মাঈযের মুখের গন্ধ শুঁকলেন, (নেশাগ্রস্ত কিনা জানার জন্য)।
[৪৪৩২]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু মাঈযের ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক তুলে ধরে। এখানে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) মাঈযের মুখের গন্ধ শুঁকলেন। অনুবাদে উল্লেখ আছে, এটি নেশাগ্রস্ত কিনা জানার জন্য। অর্থাৎ গুরুতর স্বীকারোক্তি গ্রহণের আগে ব্যক্তির অবস্থা যাচাই করা হয়েছে। যিনার মতো বড় অপরাধে হদ্দের বিষয় আছে, তাই শুধু মুখের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নয়; বরং মানুষটি স্বাভাবিকটি স্বাভাবিক অবস্থায় আছে কিনা, সেটিও দেখা হয়েছে। এই হাদিস বিচারিক সতর্কতার একটি সহজ কিন্তু গভীর শিক্ষা দেয়। মাঈযের স্বীকারোক্তি, নেশা যাচাই এবং রজমের আগে পরীক্ষা—এসব বিষয় এখানে প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বীকারোক্তিকারীর স্বাভাবিক অবস্থা যাচাই করা হয়েছে।
- নেশাগ্রস্ততা আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়েছে।
- গুরুতর বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করে নিশ্চিত হওয়ার শিক্ষা আছে।
- বিচারকাজে ব্যক্তির অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
