৪১/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৫০০ - কিসাসে ক্ষমার সমার্থক বর্ণনা
শাসক বা বিচারক যদি খুনিকে ক্ষমা করার আদেশ দেন
কিসাসে ক্ষমা বিষয়ে সমার্থক বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৫০০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৫০০
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنِي جَامِعُ بْنُ مَطَرٍ، حَدَّثَنِي عَلْقَمَةُ بْنُ وَائِلٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ .
আলকামাহ্ ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত।
[৪৪৯৯] এর পূর্বের হাদীস দেখুন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৫০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি পূর্বের সানাদে একই অর্থের বর্ণনা। এখানে বিস্তারিত ঘটনা নতুন করে বলা হয়নি; বরং আগের বর্ণনার সমার্থবোধক হাদিস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আগের বর্ণনায় দেখা যায়, হত্যাকারীকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে আনা হলে নিহত ব্যক্তির অভিভাবককে ক্ষমা, দিয়াত বা কিসাসের ব্যাপারে বারবার জিজ্ঞেস করা হয়। শেষ পর্যন্ত ক্ষমার দিকটি সামনে আসে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা আগের হাদিসের সঙ্গে যুক্ত—কিসাসের অধিকার থাকলেও ক্ষমা ও দিয়াতের পথও আছে। সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হলেও এটি একই শিক্ষাকে শক্ত করে। বিচারিক বিষয়ে আবেগ নয়, বরং নির্ধারিত পথ, সংযম ও ভাবনা দরকার। কিসাসের মতো গুরুতর সিদ্ধান্তে ক্ষমার সম্ভাবনা খোলা রাখা ইসলামের একটি বড় শিক্ষা হিসেবে এখানে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সমার্থক বর্ণনা পূর্বের শিক্ষাকে আরও জোরালো করে।
- কিসাসের ঘটনায় ক্ষমা ও দিয়াতের পথ স্মরণযোগ্য।
- গুরুতর বিচারিক সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়া না করা দরকার।
- ক্ষমা প্রতিশোধের বদলে শান্তির দরজা খুলতে পারে।
