১/২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৬ - প্রত্যেক সালাতে মিসওয়াকের গুরুত্ব
মিসওয়াক করা
মিসওয়াকের গুরুত্ব: প্রত্যেক সালাতের আগে পরিচ্ছন্নতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৬
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَرْفَعُهُ قَالَ «لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ، عَلَى الْمُؤْمِنِينَ لأَمَرْتُهُمْ بِتَأْخِيرِ الْعِشَاءِ وَبِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি না আমি মুমিনদের জন্য কষ্টকর মনে করতাম, তবে তাদের অবশ্যই ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করার এবং প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মিসওয়াকের গুরুত্ব এবং উম্মতের প্রতি নবীজির দয়ার কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যদি মুমিনদের জন্য কষ্টকর মনে না করতেন, তাহলে তিনি তাদের ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করতে এবং প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করতে নির্দেশ দিতেন। এখানে দুটি বিষয় সরাসরি আছে: ইশার সালাত দেরিতে আদায়ের কথা এবং প্রতিটি সালাতের সঙ্গে মিসওয়াকের কথা। তবে নবীজি উম্মতের কষ্টের কথা ভেবে তা নির্দেশ হিসেবে দেননি। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, মিসওয়াক করা সালাতের আগে পরিচ্ছন্নতার একটি পছন্দনীয় আমল। একই সঙ্গে দ্বীনের বিধানে মানুষের সামর্থ্য ও কষ্টের দিকও বিবেচিত হয়। তাই মিসওয়াকের ফজিলত, সালাতের প্রস্তুতি এবং সহজতার শিক্ষা—সবই এই বর্ণনায় সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিসওয়াক সালাতের আগে পরিচ্ছন্নতার সুন্দর আমল।
- নবীজি উম্মতের কষ্টের কথা বিবেচনা করেছেন।
- ইশার সালাত বিলম্বে আদায়ের কথাও হাদিসে এসেছে।
- দ্বীনের আমলে সহজতা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
