৪২/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৬৪৭ - খিলাফত ও রাজত্বের ধারাবাহিকতা
খলিফাগণ সম্পর্কে
খিলাফত ত্রিশ বছর: সংক্ষিপ্ত হাদিসের মূল কথা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৬৪৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৬৪৭
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُمْهَانَ، عَنْ سَفِينَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «خِلاَفَةُ النُّبُوَّةِ ثَلاَثُونَ سَنَةً ثُمَّ يُؤْتِي اللَّهُ الْمُلْكَ مَنْ يَشَاءُ - أَوْ مُلْكَهُ مَنْ يَشَاءُ -» .
সাফীনাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নবুওয়াতী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৬৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর বক্তব্য গভীর। সাফিনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, নবুওয়তী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। এরপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। এখানে মূল কথা হলো খিলাফত ও রাজত্বের মধ্যে একটি ধারাবাহিক পরিবর্তনের কথা। হাদিসে নির্দিষ্ট করে কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বা অতিরিক্ত ঘটনা বলা হয়নি; শুধু সময়কাল ও পরবর্তী অবস্থার কথা এসেছে। তাই ব্যাখ্যার সময় এই সীমা মানা জরুরি। যারা “খিলাফত ৩০ বছর হাদিস” বা “নবুওয়তী খিলাফত” খুঁজে থাকেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা মূল পাঠ্যভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবুওয়তী পন্থার খিলাফত ত্রিশ বছর থাকবে—এ কথা সরাসরি এসেছে।
- এরপর রাজত্ব আল্লাহ যাকে ইচ্ছা দান করবেন বলা হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও বড় শিক্ষা পাওয়া যায়, তবে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
- খিলাফত ও রাজত্বের আলোচনা করতে হলে হাদিসের শব্দের সীমা মানা দরকার।
