২/৪৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫৩৭ - ইকামতের সঠিক সময়
ইমামের জন্য মুয়াজ্জিনের অপেক্ষা করা
নামাজের ইকামত কখন দেওয়া হতো
সুনানে আবূ দাউদ : ৫৩৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫৩৭
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ بِلاَلٌ يُؤَذِّنُ ثُمَّ يُمْهِلُ فَإِذَا رَأَى النَّبِيَّ ﷺ قَدْ خَرَجَ أَقَامَ الصَّلاَةَ .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বিলাল (রাঃ) আযান দেয়ার পর অপেক্ষামান থাকতেন। তিনি যখন নবী (ﷺ) কে বের হতে দেখতেন, তখন সালাতের ইক্বামাত দিতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, বিলাল (রাঃ) আযান দিতেন, এরপর কিছু সময় অপেক্ষা করতেন। যখন তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে বের হতে দেখতেন, তখন সালাতের ইকামত দিতেন। এই বর্ণনা থেকে সালাতের জামাতে শৃঙ্খলার একটি সুন্দর দিক জানা যায়। আযান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইকামত নয়; বরং ইমাম বা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বের হওয়া দেখে ইকামত দেওয়া হতো। এতে মুসল্লিদের প্রস্তুতি এবং সালাত শুরু করার সময়ের সমন্বয় বোঝা যায়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইকামত দেওয়ার বিষয়টি তাড়াহুড়ার নয়; বরং সালাত শুরু করার বাস্তব প্রস্তুতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান ও ইকামতের মাঝে কিছু সময়ের অপেক্ষা ছিল।
- ইমাম বের হলে ইকামত দেওয়ার শৃঙ্খলা এই বর্ণনায় এসেছে।
- জামাতে সালাত শুরু করতে সমন্বয় ও অপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
- ইকামত তাড়াহুড়া করে নয়, সালাতের প্রস্তুতি দেখে দেওয়া উচিত।
