২/১৩৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮২০ - ফাতিহাতুল কিতাব ছাড়া সালাত বৈধ নয়
সালাতে কেউ সূরা ফাতিহা পড়া ছেড়ে দিলে
ফাতিহাতুল কিতাব ছাড়া সালাত বৈধ নয়
সুনানে আবূ দাউদ : ৮২০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮২০
حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنْ أُنَادِيَ أَنَّهُ لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَمَا زَادَ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে আদেশ করেন যে, আমি যেন ঘোষণা করি, সূরা ফাতিহা এবং তার সাথে অন্য (সূরা বা আয়াত) না মিলালে সালাতই হবে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮২০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সূরা ফাতিহার গুরুত্ব খুব স্পষ্টভাবে এসেছে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে আদেশ করেন যেন তিনি ঘোষণা করেন: ফাতিহাতুল কিতাব, অর্থাৎ সূরা ফাতিহা পড়া ছাড়া সালাত বৈধ নয়; এরপর যা আছে, অর্থাৎ অন্য সূরা বা আয়াত পাঠ করা যায়। এই বর্ণনায় ‘ফাতিহাতুল কিতাব’ শব্দটি এসেছে, যা সূরা ফাতিহাকে বোঝায়। সালাতে ফাতিহা পাঠের গুরুত্ব বোঝার জন্য এটি একটি সরাসরি হাদিস। এখানে মূল কথা হলো, সালাতের কিরাআতে সূরা ফাতিহা বাদ দেওয়া যাবে না—এই অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। তবে হাদিসে বাড়তি সূরা বা আয়াতের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়নি; শুধু ‘এরপর যা আছে’ বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত তালিকা বা নির্দিষ্ট সূরা চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের গুরুত্ব সরাসরি এসেছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বিষয়টি ঘোষণা করতে বলেছেন।
- ফাতিহার পর অন্য সূরা বা আয়াত পাঠের ইঙ্গিত আছে।
- সালাতের কিরাআত বিষয়ে হাদিসের ভাষা সতর্কভাবে মানা উচিত।
