১৫/২২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৩১ - ইসতিসকায় হাত তোলার শিক্ষা
বৃষ্টির পানি প্রার্থনায় ইমামের হাত উত্তোলন করা।
ইসতিসকার দোয়ায় হাত তোলা: নবীজির বর্ণিত আমল
সহীহ বুখারী : ১০৩১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০৩১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، وَابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ لاَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي شَىْءٍ مِنْ دُعَائِهِ إِلاَّ فِي الاِسْتِسْقَاءِ، وَإِنَّهُ يَرْفَعُ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ إِبْطَيْهِ.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইসতিস্কা ছাড়া অন্য কোথাও দোয়ার মধ্যে হাত উঠাতেন না। তিনি হাত এতটুকু উপরে উঠাতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ইসতিসকার দোয়ায় হাত তোলা। আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এই বর্ণনায় বলা হয়েছে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) ইসতিসকা ছাড়া অন্য দোয়ায় হাত তুলতেন না; আর ইসতিসকায় তিনি হাত এত উপরে তুলতেন যে তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত। এখানে আমরা হাদিসের শব্দের প্রতি সতর্ক থাকি। এই বর্ণনার মূল কথা হলো বৃষ্টির দোয়ার সময় নবীজির হাত তোলার বিশেষ অবস্থা। অনাবৃষ্টির সময় মানুষের প্রয়োজন বড় ছিল, আর নবীজি আল্লাহর কাছে দোয়ায় মনোযোগী ছিলেন। হাদিসটি দোয়ার ভেতরে বিনয়, আশা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার শিক্ষা দেয়। তবে ব্যাখ্যায় হাদিসের বাইরে কোনো বাড়তি নিয়ম যোগ করা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় ইসতিসকার দোয়ায় হাত তোলার কথা এসেছে।
- নবীজি হাত অনেক উঁচু করতেন বলে উল্লেখ আছে।
- বৃষ্টির প্রয়োজন হলে আল্লাহর কাছে আকুলভাবে দোয়া করা হয়।
- হাদিসের ভাষা অনুযায়ী শিক্ষা নেওয়া দরকার।
