১৬/১১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৫৪ - গ্রহণের সময় গোলাম আযাদ
সূর্যগ্রহণের সময় ক্রীতদাস মুক্ত করা পছন্দনীয়।
সূর্যগ্রহণের সময় সদকা ও মুক্তির আমল: গোলাম আযাদের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১০৫৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০৫৪
حَدَّثَنَا رَبِيعُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ فَاطِمَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ، قَالَتْ لَقَدْ أَمَرَ النَّبِيُّ ﷺ بِالْعَتَاقَةِ فِي كُسُوفِ الشَّمْسِ.
আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। আসমা (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে সূর্যগ্রহণের নামাজের পদ্ধতি নয়; বরং গ্রহণের সময় একটি বড় নেক কাজের কথা এসেছে। গোলাম আযাদ করা সেই সময় মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের বড় কাজ ছিল। ইসলামী স্কলারদের মতে, এই বর্ণনা গ্রহণের সময় আল্লাহর দিকে ফিরার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে খরচ ও ভালো কাজে এগিয়ে যাওয়ার দিকও দেখায়। তবে হাদিসের সরাসরি ভাষা হলো—সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদের নির্দেশ। তাই গ্রহণের দোয়া, সালাত ও সদকার আলোচনার সঙ্গে এই হাদিসও গুরুত্বপূর্ণ। এটি শেখায়, আল্লাহর নিদর্শন দেখলে শুধু তাকিয়ে থাকা নয়, আমলের দিকে ফিরতে হয়। এ হাদিসের মূল বিষয় হলো গোলাম আযাদ, যা সরাসরি বর্ণনার কথার সঙ্গে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদ করার নির্দেশ এসেছে।
- গ্রহণের সময় নেক কাজে মন দেওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- মানুষের কল্যাণের কাজ আল্লাহমুখী হওয়ার একটি অংশ হতে পারে।
