২৩/৩০. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১২৭৯ - স্বামী ছাড়া শোকের সীমা
স্বামী ছাড়া অন্যের জন্য স্ত্রীলোকের শোক প্রকাশ।
শোক পালনের সীমা: স্বামী ছাড়া তিন দিনের বেশি নয়
সহীহ বুখারী : ১২৭৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১২৭৯
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ عَلْقَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ تُوُفِّيَ ابْنٌ لأُمِّ عَطِيَّةَ ـ رضى الله عنها ـ فَلَمَّا كَانَ الْيَوْمُ الثَّالِثُ دَعَتْ بِصُفْرَةٍ، فَتَمَسَّحَتْ بِهِ وَقَالَتْ نُهِينَا أَنْ نُحِدَّ أَكْثَرَ مِنْ ثَلاَثٍ إِلاَّ بِزَوْجٍ.
মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উম্মু আতিয়্যা (রাঃ)-এর এক পুত্রের মৃত্যু হল। তৃতীয় দিবসে তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি আনয়ন করিয়ে ব্যবহার করলেন, আর বললেন, স্বামী ব্যতীত অন্য কারো জন্য তিন দিবসের বেশি শোক পালন করতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১২৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে শোক পালনের সময়সীমা নিয়ে সরাসরি বর্ণনা এসেছে। উম্মে আতিয়া (রাঃ)-এর এক পুত্রের মৃত্যু হলে তৃতীয় দিনে তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি ব্যবহার করেন। এরপর তিনি বলেন, স্বামী ছাড়া অন্য কারো জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করতে আমাদের নিষেধ করা হয়েছে। এখানে “শোক পালনের বিধান”, “তিন দিনের বেশি শোক” এবং “স্বামী ছাড়া শোকের সীমা” বিষয়গুলো স্পষ্ট। হাদিসটি মানুষের স্বাভাবিক দুঃখকে অস্বীকার করে না; বরং শোকের একটি সীমা দেখায়। বিশেষ করে স্বামীর ক্ষেত্রে আলাদা বিধান আছে, যা এই হাদিসে সংক্ষেপে ইঙ্গিত হয়েছে। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, প্রিয়জনের মৃত্যুতে কষ্ট থাকলেও জীবনকে দীর্ঘ শোকে আটকে রাখা ইসলামের নির্দেশ নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বামী ছাড়া অন্য কারো জন্য তিন দিনের বেশি শোক নিষেধ বলা হয়েছে।
- উম্মে আতিয়া (রাঃ) তৃতীয় দিনে সুগন্ধি ব্যবহার করে বিষয়টি বোঝান।
- শোক স্বাভাবিক, কিন্তু তার সীমা আছে।
- স্বামীর শোকের বিধান অন্যদের থেকে আলাদা।
