২৫/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫১৯ - হজ্জে মাবরূরের মর্যাদা
হজ্জে মাবরুর কবুলকৃত হজ্জের ফজিলত।
হজ্জে মাবরূরের মর্যাদা: উত্তম আমলের ধারাবাহিক শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৫১৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৫১৯
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ ﷺ أَيُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ إِيمَانٌ بِاللهِ وَرَسُولِهِ قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ جِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللهِ قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ حَجٌّ مَبْرُورٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)- কে জিজ্ঞেস করা হলো, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। জিজ্ঞেস করা হল, অতঃপর কোনটি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর পথে জিহাদ করা। জিজ্ঞেস করা হল, অতঃপর কোনটি? তিনি বলেনঃ হজ্জ-ই-মাবরূর (মাকবূল হজ্জ)।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। এরপর জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। আবার জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, হজ্জে মাবরূর। এই বর্ণনায় আমলের মর্যাদা সম্পর্কে একটি ধারাবাহিক উত্তর এসেছে। হাদিসের কেন্দ্রীয় বিষয় হলো হজ্জে মাবরূরের মর্যাদা, তবে তার আগে ঈমান ও জিহাদের কথাও এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় তিনটি বিষয়ই রাখা দরকার। ‘হজ্জে মাবরূর’ বলতে এখানে মাকবূল হজ্জ অনুবাদে এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ঈমান হলো মূল ভিত্তি, আর হজ্জে মাবরূর বড় মর্যাদার আমল হিসেবে উল্লেখিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমানকে উত্তম আমল হিসেবে আগে বলা হয়েছে।
- আল্লাহর পথে জিহাদের মর্যাদা হাদিসে এসেছে।
- হজ্জে মাবরূরকে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- দ্বীনের আমলে ঈমানের ভিত্তি সবচেয়ে আগে এসেছে—হাদিসের উত্তর থেকে এটি বোঝা যায়।
