২/১৮. অধ্যায়ঃ
যে বলে ‘ঈমানই হচ্ছে আমল’।
﴾وَتِلْكَ الْجَنَّةُ الَّتِي أُورِثْتُمُوهَا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ﴿ وَقَالَ عِدَّةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى ﴾فَوَرَبِّكَ لَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ﴿ عَنْ قَوْلِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَقَالَ ﴾لِمِثْلِ هَذَا فَلْيَعْمَلِ الْعَامِلُونَ﴿আল্লাহ তা‘আলার এ বাণীর পরিপ্রেক্ষিতে: এটাই জান্নাত, তোমাদেরকে যার অধিকারী করা হয়েছে তোমাদের কর্মের ফলস্বরূপ। (সূরা যুখরুফ ৪৩/৭২)সুতরাং শপথ আপনার প্রতিপালকের আমি তাদের সকলকে জিজ্ঞেস করবই সে বিষয়ে, যা তারা করে। (সূরা হিজর ১৫/৯০)আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে আলিমদের এক দল বলেন, لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ এর স্বীকারোক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে।আল্লাহ তা‘আলার বাণী: এরূপ সাফল্যের জন্য ‘আমলকারীদের উচিত ‘আমল করা। (সূরা সাফফাত ৩৭/৬১)
সহিহ বুখারী : ২৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَمُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ أَىُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ فَقَالَ " إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ". قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ " الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ". قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ " حَجٌّ مَبْرُورٌ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, কোন আমলটি উত্তম?তিনি বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা [১]।জিজ্ঞেস করা হলো, অতঃপর কোনটি?তিনি বললেন: আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।প্রশ্ন করা হল, অতঃপর কোনটি?তিনি বললেন: মাকবূল হজ্জ সম্পাদন করা।
(১৫১৯; মুসলিম ১/৩৬ হাঃ ৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫, .ফা. ২৫)[১] মুরজি’আহদের নিকট শুধু অন্তরে বিশ্বাসের নাম ঈমান। মুখে স্বীকার করা রুকন বা শর্ত নয় এবং ‘আমল ঈমানের হাকীকাতের বাইরে। ঈমান আনার পর গুনাহর কাজ ক্ষতিকর নয় এমনকি কবীরা গুনাহ করলেও নয়। (মিরআত ৩৬ পৃঃ)
