২৫/১০. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫২৭ - নবীজির নির্ধারিত মীকাতের সীমা
নজদবাসীদের ইহরাম বাঁধার স্থান।
মীকাতের সীমা: নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্ধারিত ইহরামের স্থান
সহীহ বুখারী : ১৫২৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৫২৭
حَدَّثَنَا عَلِيٌّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَفِظْنَاهُ مِنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ وَقَّتَ النَّبِيُّ ﷺ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মীকাতের সীমা নির্ধারিত করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এতে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) মীকাতের সীমা নির্ধারণ করেছেন। মীকাত হলো সেই নির্দিষ্ট স্থান বা সীমা, যেখানে হজ্জ বা উমরাহর উদ্দেশ্যে যাওয়া ব্যক্তি ইহরাম শুরু করে। যদিও এই বর্ণনায় মীকাতের নামগুলো বিস্তারিতভাবে আসেনি, একই ধারার অন্যান্য বর্ণনায় বিভিন্ন এলাকার মীকাতের নাম এসেছে। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, হজ্জ ও উমরাহর ইবাদত নিজের মত করে সাজানো নয়; রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্ধারিত সীমা ও নিয়ম মেনে করা। ইহরাম বাঁধার স্থান নির্দিষ্ট হওয়া ইবাদতের শৃঙ্খলা, একতা এবং নববী পথ অনুসরণের বিষয়টি বোঝায়। তাই হজ্জ বা উমরাহর যাত্রীদের জন্য মীকাত জানা খুব দরকারি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মীকাত নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্ধারিত সীমা।
- হজ্জ ও উমরাহর ইহরাম নির্দিষ্ট স্থান থেকে শুরু হয়।
- ইবাদতে নিজের মত নয়, নববী নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
- মীকাত জানা হজ্জ ও উমরাহর প্রস্তুতির অংশ।
