২৫/৫৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬০৪ - হজ্জ ও উমরায় প্রথম তিন চক্করে রামল
হজ্জ ও উমরাতে রামল করা।
হজ্জ ও উমরার তাওয়াফে রামলের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৬০৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬০৪
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَعَى النَّبِيُّ ﷺ ثَلاَثَةَ أَشْوَاطٍ وَمَشَى أَرْبَعَةً فِي الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ تَابَعَهُ اللَّيْثُ قَالَ حَدَّثَنِي كَثِيرُ بْنُ فَرْقَدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) হজ্জ এবং ‘উমরাহ’র তাওয়াফে (প্রথম) তিন চক্করে রামল করেছেন, অবশিষ্ট চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে চলেছেন। লাইস (রহঃ) হাদীস বর্ণনায় সুরাইজ ইব্নু নু‘মান (রহঃ)-এর অনুসরণ করে বলেন, কাসীর ইব্নু ফারকাদ (রহঃ)...ইব্নু ‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হজ্জ ও উমরার তাওয়াফে নবী صلى الله عليه وسلم-এর চলার ধরন বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি প্রথম তিন চক্করে রামল করেছেন। অর্থাৎ কিছুটা দ্রুত, জোর কদমে চলেছেন। এরপর বাকি চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হেঁটেছেন। হাদিসটির ভাষা খুব সরল, কিন্তু তাওয়াফের একটি নিয়মিত পদ্ধতি বোঝায়। এখানে অতিরিক্ত কিছু বলা হয়নি; শুধু নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাজটি তুলে ধরা হয়েছে। তাই এই হাদিস থেকে শিক্ষা হলো, হজ্জ ও উমরার তাওয়াফে আমল শেখার ক্ষেত্রে নবী صلى الله عليه وسلم-এর দেখা পদ্ধতিই অনুসরণযোগ্য। রামল সব চক্করে নয়; হাদিসে প্রথম তিন এবং পরের চার চক্করের পার্থক্য স্পষ্টভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জ ও উমরায় প্রথম তিন চক্করে রামল করা হয়েছে।
- বাকি চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হাঁটা হয়েছে।
- তাওয়াফের কাজে নবী صلى الله عليه وسلم-এর পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।
- হাদিসে রামলের সীমা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
