২৫/৬৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬২৪ - সাফা-মারওয়া সাঈর আগে দাম্পত্য বিধান
নবী (ﷺ) তাওয়াফের সাত চক্কর পর দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন।
وَقَالَ نَافِعٌ كَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يُصَلِّي لِكُلِّ سُبُوعٍ رَكْعَتَيْنِ وَقَالَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ قُلْتُ لِلزُّهْرِيِّ إِنَّ عَطَاءً يَقُولُ تُجْزِئُهُ الْمَكْتُوبَةُ مِنْ رَكْعَتَيِ الطَّوَافِ فَقَالَ السُّنَّةُ أَفْضَلُ لَمْ يَطُفِ النَّبِيُّ ﷺ سُبُوعًا قَطُّ إِلَّا صَلَّى رَكْعَتَيْنِনাফি (রহঃ) বলেন, ইবন ‘উমার (রাঃ) প্রতি সাত চক্কর শেষে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। ইসমা‘ঈল ইবন উমাইয়া (রহঃ) বলেন, আমি যুহরীকে বললাম, ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, তাওয়াফের দু’ রাক‘আতের ক্ষেত্রে ফরজ সালাত আদায় করে নিলে তা যথেষ্ট হবে। তখন যুহরী (রহঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর তরীকা অবলম্বন করাই উত্তম, যতবার নবী (ﷺ) তাওয়াফের সাত চক্কর পূর্ণ করেছেন, ততবার তার পর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন।"
সাফা-মারওয়া সাঈর আগে করণীয় সম্পর্কে হাদিস
সহীহ বুখারী : ১৬২৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬২৪
قَالَ وَسَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ فَقَالَ لاَ يَقْرَبُ امْرَأَتَهُ حَتَّى يَطُوفَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ নয়।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে উমরাহর একটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের পরিষ্কার উত্তর এসেছে। বর্ণনাকারী জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করার আগে কেউ তার স্ত্রীর কাছে যাবে না। এখানে হাদিসের বক্তব্য খুব সীমিত ও স্পষ্ট। উমরাহর কাজ শেষ করার আগে নিজের ওপর থাকা ইহরামের সীমা মেনে চলার শিক্ষা এতে আছে। বিশেষ করে তাওয়াফের পর সাঈ বাকি থাকলে দাম্পত্য সম্পর্কের ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার। এই হাদিস উমরাহর সাঈ, হজ্জ-উমরাহর বিধান এবং ইবাদতের ধারাবাহিকতা বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা-মারওয়া সাঈ শেষ হওয়ার আগে দাম্পত্য সম্পর্কে যাওয়া যাবে না।
- উমরাহর কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করার গুরুত্ব আছে।
- সাহাবীরা হজ্জ ও উমরাহর প্রশ্নে স্পষ্ট উত্তর দিতেন।
- ইবাদতের সময় নিজের সীমা ও নিয়ম মানা জরুরি।
