২৫/১০১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৮৫ - জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ পর্যন্ত তালবিয়া
কুরবানির দিবসে সকালে জামরায়ে আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপের সময় তাকবীর ও তালবিয়া পাঠ করা এবং চলার পথে কাউকে সওয়ারীতে পেছনে বসানো
জামরায় পৌঁছা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ: হজ্জের প্রাণবন্ত আমল
সহীহ বুখারী : ১৬৮৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬৮৫
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ أَرْدَفَ الْفَضْلَ فَأَخْبَرَ الْفَضْلُ أَنَّهُ لَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى الْجَمْرَةَ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ফাযল (রাঃ) -কে তাঁর সওয়ারীর পেছনে বসিয়েছিলেন। সেই ফাযল (রাঃ) বলেছেন, নবী (ﷺ) জামরায় পৌঁছে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করেছিলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তালবিয়ার সময় নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ একটি বর্ণনা এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) ফজল (রাঃ)-কে নিজের সাওয়ারির পেছনে বসিয়েছিলেন। ফজল (রাঃ) জানান, নবী (صلى الله عليه وسلم) জামরায় পৌঁছে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করেছেন। এখানে হজ্জের পথে সাওয়ারিতে পেছনে কাউকে বসানো এবং কঙ্কর নিক্ষেপের আগ পর্যন্ত তালবিয়া চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট। হাদিসটি আমাদের জানায়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর হজ্জের আমলে তালবিয়া শুধু ইহরামের শুরুতে নয়, জামরায় পৌঁছা পর্যন্ত চলতে থাকে। তবে এই বর্ণনার বাইরে অতিরিক্ত নিয়ম বা সময়সীমা যোগ না করাই ভালো। মূল বিষয় হলো: তালবিয়া, জামরা এবং নবীজির অনুসরণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করেছেন।
- হজ্জের পথে সাওয়ারিতে পেছনে কাউকে বসানোর বর্ণনা এসেছে।
- তালবিয়া হজ্জের চলমান আমলের অংশ হিসেবে এসেছে।
- সাহাবীগণ নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাজ সরাসরি বর্ণনা করেছেন।
