২৫/১৪৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৬০ - ইফাযা তাওয়াফের পর ঋতুবতী নারীর ছাড়
তাওয়াফে জিয়ারতের পর কোন স্ত্রী লোকের ঋতু আসলে।
ইফাযা তাওয়াফের পর ঋতুবতী নারীর রওয়ানা
সহীহ বুখারী : ১৭৬০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭৬০
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ رُخِّصَ لِلْحَائِضِ أَنْ تَنْفِرَ إِذَا أَفَاضَتْ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাওয়াফে যিয়ারত আদায় করার পর ঋতুবতী মহিলাকে রওয়ানা হয়ে যাওয়ার জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিষয়টি পরিষ্কার। ইবনু আব্বাস রাঃ বলেন, ইফাযা তাওয়াফ শেষ করার পর ঋতুবর্তী মহিলাকে রওয়ানা হয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখানে মূল শর্ত হলো ইফাযা তাওয়াফ সম্পন্ন হওয়া। তাওয়াফে ইফাযা হজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, আর হাদিসে বলা হয়েছে, এটি শেষ হয়ে গেলে ঋতুবর্তী মহিলার যাত্রার অনুমতি আছে। এই বর্ণনা বিদায়ী তাওয়াফ ও নারীদের অবস্থার প্রশ্নে সহজ উত্তর দেয়। তবে হাদিসে যতটুকু আছে ততটুকুই বলা উচিত। এখানে অন্য কোনো পরিস্থিতির বিস্তারিত আলোচনা নেই। তাই ব্যাখ্যায় অতিরঞ্জন না করে বলা যায়—ইফাযা তাওয়াফের পর ঋতু এলে রওয়ানা হওয়ার অনুমতি বর্ণিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইফাযা তাওয়াফ শেষ হওয়া এখানে মূল বিষয়।
- ঋতুবর্তী মহিলার জন্য রওয়ানা হওয়ার অনুমতি এসেছে।
- নারীদের বাস্তব অবস্থার জন্য হজে নির্দিষ্ট ছাড়ের বর্ণনা পাওয়া যায়।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত; এর বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়।
