২৫/১৪৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৬১ - ঋতুবতী নারীর রওনা হওয়ার অনুমতি
তাওয়াফে জিয়ারতের পর কোন স্ত্রী লোকের ঋতু আসলে।
ঋতুবতী নারীর রওনা হওয়ার বিধান: নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুমতি
সহীহ বুখারী : ১৭৬১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭৬১
قَالَ وَسَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ إِنَّهَا لاَ تَنْفِرُ ثُمَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ بَعْدُ إِنَّ النَّبِيَّ ﷺ رَخَّصَ لَهُنَّ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ইব্নু উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সে মহিলা রওয়ানা হতে পারবেনা। পরবর্তীতে তাঁকে এ কথাও বলতে শুনেছি যে, নবী (ﷺ) তাদেরকে অনুমতি দিয়েছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ঋতুবতী নারীর হজ্জ শেষে রওনা হওয়া নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখা যায়। ইবনু উমর (রাঃ) প্রথমে বলেছিলেন, এমন মহিলা রওনা হতে পারবে না। পরে তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, নবী صلى الله عليه وسلم তাঁদেরকে অনুমতি দিয়েছেন। তাই হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো—হজ্জের মাসআলায় শুধু ব্যক্তিগত ধারণা নয়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশই আসল ভিত্তি। এখানে ঋতুবতী নারী, হজ্জ শেষে রওনা, অনুমতি, নবী صلى الله عليه وسلم-এর বিধান—এসব বিষয় খুব সরাসরি এসেছে। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, কোনো বিষয়ে আগে একটি মত জানা থাকলেও সহিহ তথ্য সামনে এলে সেটিই গ্রহণ করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের বিধানে নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুমতিই মূল অনুসরণীয় বিষয়।
- কোনো বিষয়ে নতুন সহিহ তথ্য জানা গেলে আগের মত সংশোধন করা ভালো।
- ঋতুবতী নারীর অবস্থার ক্ষেত্রে শরিয়তে সহজতার দিক আছে।
