২৫/১৫১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৭১ - সফিয়্যা (রাঃ)-এর ঋতু ও রওনার অনুমতি
মুহাসসাব হতে শেষ রাতে যাত্রা করা।
কুরবানির দিনের তাওয়াফের পর ঋতুবতী নারীর রওনা
সহীহ বুখারী : ১৭৭১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭৭১
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ حَدَّثَنَا أَبِي حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ عَنْ الأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ حَاضَتْ صَفِيَّةُ لَيْلَةَ النَّفْرِ فَقَالَتْ مَا أُرَانِي إِلاَّ حَابِسَتَكُمْ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ عَقْرَى حَلْقَى أَطَافَتْ يَوْمَ النَّحْرِ قِيلَ نَعَمْ قَالَ فَانْفِرِي
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
প্রত্যাবর্তনের দিন সাফিয়্যা (রাঃ)-এর ঋতু দেখা দিলে তিনি বললেন, আমার মনে হচ্ছে আমি তোমাদেরকে আটকিয়ে ফেললাম। নবী (ﷺ) তা শুনে عَقْرَى حَلْقَى বলে বিরক্তি প্রকাশ করলেন এবং বললেনঃ সে কি কুরবানীর দিন তাওয়াফ করেছে? বলা হল, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তবে চল।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাফিয়্যা (রাঃ)-এর ঋতু শুরু হওয়ার ঘটনা এসেছে। প্রত্যাবর্তনের রাতে তিনি মনে করলেন, তাঁর কারণে সবাই হয়তো আটকে যাবেন। বিষয়টি নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে পৌঁছালে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কি কুরবানির দিন তাওয়াফ করেছেন? বলা হলো, হ্যাঁ। তখন নবী صلى الله عليه وسلم বললেন, তাহলে রওনা হও। এই বর্ণনায় মূল বিষয় হলো—ঋতুবতী নারী যদি কুরবানির দিনের তাওয়াফ করে থাকেন, তবে এখানে রওনার অনুমতি এসেছে। হাদিসটি হজ্জে নারীর অবস্থা, তাওয়াফ, রওনা এবং সহজতার বিষয় খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। অতিরিক্ত কোনো শর্ত এই হাদিসের বাইরে থেকে যোগ করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির দিনের তাওয়াফ হয়ে থাকলে রওনার অনুমতির বর্ণনা এসেছে।
- ঋতুবতী নারীর বাস্তব অবস্থাকে শরিয়ত বিবেচনা করে।
- হজ্জের সমস্যা জানিয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ অনুযায়ী চলা উচিত।
