২৫/১৪৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৬৪ - মুহাস্সাবে অবস্থান ও বাইতুল্লাহ তাওয়াফ
(মিনা হতে) ফেরার দিন আবতাহ নামক স্থানে আসর সালাত আদায় করা।
মুহাস্সাবে বিশ্রাম শেষে বাইতুল্লাহ তাওয়াফের বর্ণনা
সহীহ বুখারী : ১৭৬৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭৬৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمُتَعَالِ بْنُ طَالِبٍ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ أَنَّ قَتَادَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ حَدَّثَهُ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ صَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ وَرَقَدَ رَقْدَةً بِالْمُحَصَّبِ ثُمَّ رَكِبَ إِلَى الْبَيْتِ فَطَافَ بِهِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যোহর, আসর, মাগরিব, ঈশার সালাত আদায়ের পর মুহাস্সাবে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকেন, পরে সওয়ার হয়ে বাইতুল্লাহ্র দিকে গেলেন এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর হজ্জ শেষে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা এসেছে। তিনি যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সালাত আদায় করেন। এরপর মুহাস্সাব নামক স্থানে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকেন। পরে সওয়ার হয়ে বাইতুল্লাহর দিকে যান এবং তাওয়াফ করেন। এখানে মুহাস্সাবে অবস্থান, সালাত, বিশ্রাম এবং বাইতুল্লাহ তাওয়াফ—সবগুলো বিষয় ধারাবাহিকভাবে এসেছে। হাদিসটির ভাষা থেকে বোঝা যায়, হজ্জের সফরে ইবাদত যেমন আছে, তেমনি প্রয়োজনমতো বিশ্রামও আছে। তবে এই হাদিস শুধু নবী صلى الله عليه وسلم কী করেছেন তা জানাচ্ছে; এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো দাবি করা ঠিক হবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের সফরে সালাত আদায় ও তাওয়াফের গুরুত্ব দেখা যায়।
- ইবাদতের সফরেও প্রয়োজনমতো বিশ্রাম নেওয়া স্বাভাবিক।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাজ জানার ক্ষেত্রে বর্ণনার সীমা মেনে চলা উচিত।
