২৬/১১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৯৪ - সাঈর আগে হালাল না হওয়া
উমরা আদায়কারী কখন হালাল হবে (ইহরাম খুলবে)?
وَقَالَ عَطَاءٌ عَنْ جَابِرٍ ؓ أَمَرَ النَّبِيُّ ﷺ أَصْحَابَهُ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً وَيَطُوفُوا ثُمَّ يُقَصِّرُوا وَيَحِلُّوا‘আত্বা (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (ﷺ) তাঁর সাহাবীগণকে তাদের হজ্জকে ‘উমরায় রূপান্তরিত করার পর তাওয়াফ করে চুল ছেঁটে হালাল হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন"
সাফা-মারওয়া সাঈ শেষ না করে স্ত্রীর কাছে না যাওয়ার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৭৯৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭৯৪
قَالَ وَسَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنهما ـ فَقَالَ لاَ يَقْرَبَنَّهَا حَتَّى يَطُوفَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(রাবী) ‘আমর ইব্নু দীনার (রহঃ) বলেছেন, জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) -কেও আমরা জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেছেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ তার স্ত্রীর নিকট কিছুতেই যাবে না।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি ছোট, কিন্তু উমরার সাঈ সম্পর্কে খুব সরাসরি নির্দেশ দেয়। আমর ইবনু দীনার (রহঃ) বলেন, তাঁরা জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কেও একই বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ বা সাঈ না করা পর্যন্ত কেউ তার স্ত্রীর কাছে যাবে না। এখানে মূল বিষয় হলো, উমরার কাজ পূর্ণ না করে হালাল হওয়ার মতো আচরণ করা ঠিক নয়। হাদিসটি সরাসরি সাফা-মারওয়ার সাঈর গুরুত্ব তুলে ধরে। তবে ব্যাখ্যায় শুধু এই নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, কারণ বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত ও নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা-মারওয়ার সাঈ শেষ হওয়ার আগে স্ত্রীর কাছে যাওয়ার নিষেধ এসেছে।
- উমরার কাজ সম্পন্ন করার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি।
- সাহাবীদের কাছে প্রশ্ন করে বিধান জানার সুন্দর দৃষ্টান্ত আছে।
