২৬/১৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৯৯ - মক্কা সফরে সালাত ও রাতযাপন
সকাল বেলা বাড়িতে আগমন।
মক্কা সফরে সালাত: মসজিদে শাজারা ও যুল-হুলাইফার আমল
সহীহ বুখারী : ১৭৯৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭৯৯
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَجَّاجِ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ إِذَا خَرَجَ إِلَى مَكَّةَ يُصَلِّي فِي مَسْجِدِ الشَّجَرَةِ، وَإِذَا رَجَعَ صَلَّى بِذِي الْحُلَيْفَةِ بِبَطْنِ الْوَادِي وَبَاتَ حَتَّى يُصْبِحَ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মক্কার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ‘মসজিদে শাজারাতে’ সালাত আদায় করতেন। আর যখন ফিরতেন, যুল-হুলাইফার বাতনুল-ওয়াদীতে সালাত আদায় করতেন এবং এখানে সকাল পর্যন্ত রাত যাপন করতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর মক্কা সফরের পথে সালাত ও অবস্থানের একটি নির্দিষ্ট বর্ণনা এসেছে। ইবনু উমর (রাঃ) জানান, নবীজি মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলে মসজিদে শাজারায় সালাত আদায় করতেন। আবার মক্কা থেকে ফেরার সময় যুল-হুলাইফার বাতানুল-ওয়াদিতে সালাত আদায় করতেন এবং সেখানে সকাল পর্যন্ত রাত যাপন করতেন। এই বর্ণনা সফরের রুটিন, সালাতের যত্ন এবং নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থানের কথা জানায়। তবে হাদিসে যতটুকু এসেছে, ব্যাখ্যাতেও ততটুকু রাখা উচিত। এটি আমাদের শেখায়, সফরের ব্যস্ততার মধ্যেও সালাত নবীজির আমলে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) মক্কা যাওয়ার পথে মসজিদে শাজারায় সালাত আদায় করতেন।
- ফেরার পথে যুল-হুলাইফার বাতানুল-ওয়াদিতে সালাত ও রাতযাপনের কথা এসেছে।
- সফরেও সালাতের প্রতি যত্ন রাখা নবীজির আমল থেকে শেখা যায়।
