২৮/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৮২৮ - পাঁচ ক্ষতিকর প্রাণী হত্যার বিধান
মুহরিম ব্যক্তি যে যে প্রাণী হত্যা করতে পারে।
ইহরামে পাঁচ ক্ষতিকর প্রাণী হত্যা: কাক, চিল, ইঁদুর, বিচ্ছু ও হিংস্র কুকুর
সহীহ বুখারী : ১৮২৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৮২৮
حَدَّثَنَا أَصْبَغُ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَتْ حَفْصَةُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «خَمْسٌ مِنَ الدَّوَابِّ لاَ حَرَجَ عَلَى مَنْ قَتَلَهُنَّ الْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْفَأْرَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ».
হাফসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, পাঁচ প্রকার প্রাণী যে হত্যা করবে তার কোন দোষ নেই। (যেমন) কাক, চিল, ইঁদুর, বিচ্ছু ও হিংস্র কুকুর।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৮২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পাঁচ প্রকার প্রাণীর নাম স্পষ্টভাবে এসেছে। হাফসা রা. বর্ণনা করেন, নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, পাঁচ প্রকার প্রাণী যে হত্যা করবে তার কোনো দোষ নেই। সেগুলো হলো কাক, চিল, ইঁদুর, বিচ্ছু ও হিংস্র কুকুর। ইহরাম অবস্থায় শিকার থেকে বিরত থাকা জরুরি হলেও এই হাদিসে ক্ষতিকর প্রাণীর ক্ষেত্রে আলাদা বিধান দেখা যায়। এখানে উদ্দেশ্য সাধারণ শিকার নয়; বরং এমন প্রাণী, যেগুলো ক্ষতি করতে পারে। তাই হাদিসটি ইহরামের নিয়মের সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার দিকটিও শেখায়। তবে তালিকাটি যেভাবে বর্ণনায় এসেছে, সেভাবেই বলা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাক, চিল, ইঁদুর, বিচ্ছু ও হিংস্র কুকুরের বিষয়ে আলাদা বিধান এসেছে।
- ইহরামে সাধারণ শিকার ও ক্ষতিকর প্রাণীর বিষয় এক নয়।
- নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, এগুলো হত্যা করলে দোষ নেই।
- বিধান বলার সময় হাদিসে আসা তালিকা ঠিকভাবে রাখা দরকার।
