২৮/২৬. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ১৮৬৩ - রমজানে উমরার বিশেষ ফজিলত

মহিলাদের হজ্জ।

وَ قَالَ لِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الْأَزْرَقِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَذِنَ عُمَرُ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ لِأَزْوَاجِ النَّبِيِّ ﷺ فِي آخِرِ حَجَّةٍ حَجَّهَا فَبَعَثَ مَعَهُنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ১৮৬০. ‘আবদুর রহমান ইবন ‘আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। যে বছর ‘উমার (রাঃ) শেষবারের মত হজ্জ আদায় করেন সে বছর তিনি নবী (ﷺ)-এর সকল স্ত্রীকে হজ্জ আদায় করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তাঁদের সাথে ‘উসমান ইবন ‘আফফান (রাঃ) এবং ‘আবদুর রহমান ইবন ‘আওফ (রাঃ)-কে প্রেরণ করেছিলেন। (আ.প্র. অনুচ্ছেদ ৫৮ কিতাবুল ‘উমরা, ই.ফা. পরিচ্ছেদ)"

রমজানে উমরা: হজ্জের সমান সাওয়াবের হাদিস

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৮৬৩

حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، أَخْبَرَنَا حَبِيبٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ لَمَّا رَجَعَ النَّبِيُّ ﷺ مِنْ حَجَّتِهِ قَالَ لأُمِّ سِنَانٍ الأَنْصَارِيَّةِ " مَا مَنَعَكِ مِنَ الْحَجِّ ". قَالَتْ أَبُو فُلاَنٍ ـ تَعْنِي زَوْجَهَا ـ كَانَ لَهُ نَاضِحَانِ، حَجَّ عَلَى أَحَدِهِمَا، وَالآخَرُ يَسْقِي أَرْضًا لَنَا. قَالَ " فَإِنَّ عُمْرَةً فِي رَمَضَانَ تَقْضِي حَجَّةً مَعِي ". رَوَاهُ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) হজ হতে ফিরে এসে উম্মে সিনান (রাঃ) নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ হজ আদায় করাতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তিনি বললেন, অমুকের আব্বা অর্থাৎ তাঁর স্বামী, কারণ পানি টানার জন্য আমাদের মাত্র দু’টি উট আছে। একটিতে সাওয়ার হয়ে তিনি হজ আদায় করতে গিয়েছেন। আর অন্যটি আমাদের জমিতে পানি সিঞ্চনের কাজ করছে। নবী (ﷺ) বললেন, রমাযান মাসে একটি ‘উমরাহ আদায় করা একটি ফারয্‌ হজ আদায় করার সমান অথবা বলেছেনঃ আমার সাথে একটি হজ আদায় করার সমান।এ হাদীসটি ইব্‌নু জুরাইজ ‘আতা থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ)- কে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। আর ওবাইদুল্লাহ ইব্‌নু আবদুল কারীম থেকে তিনি ‘আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারী হাদিস ১৮৬৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে উম্মে সিনান (রাঃ) হজ্জে যেতে না পারার কারণ জানান। তাঁদের কাছে পানি টানার জন্য মাত্র দুটি উট ছিল। একটি উটে তাঁর স্বামী হজ্জে গিয়েছিলেন, আর অন্যটি জমিতে পানি দেওয়ার কাজে ছিল। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তাঁর কথা শুনে বলেন, রমজান মাসে একটি উমরা করা একটি ফরজ হজ্জের সমান, অথবা তাঁর সঙ্গে একটি হজ্জ করার সমান। এই বর্ণনায় রমজানে উমরার ফজিলত স্পষ্ট। একই সঙ্গে দেখা যায়, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) মানুষের বাস্তব অসুবিধা বুঝতেন এবং ইবাদতের দরজা সহজভাবে বুঝিয়ে দিতেন। তাই ‘রমজানে উমরা’ ও ‘উমরার ফজিলত’ বিষয়ে এই হাদিস খুব পরিচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রমজান মাসে উমরার বিশেষ মর্যাদা এই হাদিসে উল্লেখ হয়েছে।
  • বাস্তব অসুবিধার কারণে কেউ হজ্জে যেতে না পারলে তার অবস্থাও বিবেচ্য।
  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) সাহাবীদের প্রশ্ন ও কষ্টের জবাব সহজ ভাষায় দিতেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন