৩০/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৮৯৮ - রমজানে জান্নাতের দরজা খোলে
রমজান বলা হবে, না রমজান মাস বলা হবে? আর যাদের মতে উভয়টি বলা যাবে।
وَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَقَالَ لَا تَقَدَّمُوا رَمَضَانَনবী (ﷺ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমযানে সওম পালন করবে” এবং আরো বলেছেন: “তোমরা রমযানের আগে সওম পালন করবে না”"
রমজান এলে জান্নাতের দরজা খোলে: সাওমের মাসের মর্যাদা
সহীহ বুখারী : ১৮৯৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৮৯৮
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ إِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فُتِحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন রমযান আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৮৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু রমজানের মর্যাদা স্পষ্ট করে। আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়। এখানে রমজান, জান্নাতের দরজা এবং আল্লাহর রহমতের সুযোগ—এই বিষয়গুলো সামনে আসে। হাদিসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রমজান সাধারণ মাসের মতো নয়। এটি এমন সময়, যখন আল্লাহর দিকে ফেরার, সাওম পালন করার এবং ভালো কাজে মন দেওয়ার বড় সুযোগ তৈরি হয়। তবে হাদিসে যা বলা হয়েছে, সেটুকুই বলা নিরাপদ: রমজান এলে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। তাই এই মাসকে অবহেলা না করে আমলের সময় হিসেবে নেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজান মাসের বিশেষ মর্যাদা আছে।
- রমজান এলে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়।
- এই মাস ভালো আমলে মন দেওয়ার সুযোগ এনে দেয়।
- সাওম ও ইবাদতের মাধ্যমে রমজানের মূল্য বুঝতে হয়।
