৩০/১৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯১৪ - রমজানের আগে সাওম শুরু না করার নির্দেশ
রমজানের একদিন বা দুইদিন পূর্বে সওম আরম্ভ করবে না।
রমজানের আগে এক-দুদিন সাওম: কখন নিষেধ, কখন ছাড়
সহীহ বুখারী : ১৯১৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯১৪
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لاَ يَتَقَدَّمَنَّ أَحَدُكُمْ رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمَهُ فَلْيَصُمْ ذَلِكَ الْيَوْمَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা কেউ রমজানের একদিন কিংবা দু’দিন আগে হতে সাওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সাওম পালন করতে পারবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯১৪-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: রমজান। এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) রমজানের আগে এক দিন বা দুই দিন আগে থেকে সাওম শুরু করতে নিষেধ করেছেন। এর মাধ্যমে রমজানের শুরু নিয়ে আগ বাড়িয়ে কাজ করার পথ বন্ধ করা হয়েছে। তবে হাদিসে একটি ছাড়ও আছে—যদি কেউ আগে থেকেই নির্দিষ্ট দিনে সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে, তাহলে সে দিন সাওম পালন করতে পারবে। তাই হাদিসটি ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা দেয়। একদিকে রমজান শুরু করার জন্য চাঁদ দেখা ও নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে বলা হয়েছে, অন্যদিকে কারও নিয়মিত নফল সিয়াম থাকলে সেটি বন্ধ করতে বলা হয়নি। এখানে মূল কথা হলো, রমজানের নামে নিজের থেকে নতুন শুরু বানানো ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের এক-দুদিন আগে আগেভাগে সাওম শুরু করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- নিয়মিত অভ্যাসের সিয়াম হলে ছাড় আছে।
- রমজান শুরুতে নিজস্ব অনুমান নয়, নববী নিয়ম মানতে হবে।
- ইবাদতে ভারসাম্য ও নিয়ম দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।
