৩০/৩৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৪৭ - সফরে সাওম নিয়ে দোষারোপ নয়
সওম করা ও না করার ব্যাপারে নবী (ﷺ)-এর সাহাবীগণ পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতেন না।
সফরে সাওম: রাখা বা না রাখায় কাউকে দোষ না দেওয়া
সহীহ বুখারী : ১৯৪৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৪৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ عَنْ مَالِكٍ عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ كُنَّا نُسَافِرُ مَعَ النَّبِيِّ ﷺ فَلَمْ يَعِبْ الصَّائِمُ عَلَى الْمُفْطِرِ وَلاَ الْمُفْطِرُ عَلَى الصَّائِمِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে সফরে যেতাম। সায়িম ব্যক্তি গায়ের সায়িমকে (যে সাওম পালন করছে না) এবং গায়ের সায়িম ব্যক্তি সায়িমকে দোষারোপ করত না।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৪৭-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: সফরে সাওম। আনাস ইবন মালিক রাঃ বলেন, তাঁরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে সফরে যেতেন। তখন সায়েম ব্যক্তি গায়র সায়েমকে দোষ দিত না, আর গায়র সায়েম ব্যক্তি সায়েমকে দোষ দিত না। এই হাদিসটি খুব বাস্তব ও দরকারি শিক্ষা দেয়। সফরে কেউ রোজা রাখতে পারে, কেউ ছাড় নিতে পারে। কিন্তু এ নিয়ে পরস্পরকে ছোট করা বা দোষ দেওয়া ঠিক নয়। হাদিসের মূল বার্তা হলো সহনশীলতা, সহজতা এবং নবীজির صلى الله عليه وسلم সফরসঙ্গীদের সুন্দর আচরণ। আজও সফরে সাওম নিয়ে কথা বলার সময় এই আদব দরকার। অন্যের অবস্থাকে সম্মান করা এবং হাদিসের সীমার মধ্যে থাকা—এটাই এখানে বড় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সফরে কেউ সাওম রাখলে তাকে দোষ দেওয়া যাবে না।
- সফরে কেউ সাওম না রাখলেও তাকে দোষ দেওয়া ঠিক নয়।
- সাহাবীদের মধ্যে পারস্পরিক সহনশীলতা ছিল।
- ফিকহি সুযোগের জায়গায় ঝগড়া না করে আদব রাখা দরকার।
