৩০/৬৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২০০১ - আশুরার সাওমের বিধান ও রমজানের ফরজ হওয়া
আশুরার দিনে সওম করা।
আশুরার সাওম: রমজান ফরজ হওয়ার পর এর অবস্থান
সহীহ বুখারী : ২০০১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২০০১
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ أَمَرَ بِصِيَامِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ كَانَ مَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) প্রথমে ‘আশূরার দিনে সাওম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন, পরে যখন রমযানের সাওম ফারয করা হলো তখন যার ইচ্ছা (‘আশুরার) সাওম পালন করত আর যার ইচ্ছা করত না।
সহীহ বুখারী হাদিস ২০০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আশুরার সাওম সম্পর্কে একটি পরিষ্কার শিক্ষা আছে। আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) প্রথমে আশুরার দিনে সাওম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর যখন রমজানের সাওম ফরজ করা হলো, তখন আশুরার সাওম আর বাধ্যতামূলক থাকল না। তখন কেউ চাইলে আশুরার সাওম পালন করত, আর কেউ চাইলে করত না। তাই এখানে মূল কথা হলো—রমজানের সাওম ফরজ, আর আশুরার সাওম ইচ্ছাধীন নেক আমল হিসেবে রয়ে গেছে। যারা ‘আশুরার রোজা ফরজ কি না’ বা ‘আশুরার সাওমের বিধান’ জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে দ্বীনের বিধান কীভাবে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে, সেটাও বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের সাওম ফরজ হওয়ার পর আশুরার সাওম ইচ্ছাধীন হয়ে যায়।
- আশুরার সাওম একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, তবে এই হাদিসে তা ফরজ বলা হয়নি।
- ইবাদতের বিধান বুঝতে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ ও পরবর্তী অবস্থান জানা জরুরি।
