৩৪/৩৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২১০৩ - হিজামার মজুরি হালাল হওয়ার ইঙ্গিত
রক্ত মোক্ষমকারীদের প্রসঙ্গে।
হিজামার মজুরি নিয়ে হাদিস: কাজের দাম দেওয়ার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২১০৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২১০৩
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ ـ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ ـ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ احْتَجَمَ النَّبِيُّ ﷺ وَأَعْطَى الَّذِي حَجَمَهُ، وَلَوْ كَانَ حَرَامًا لَمْ يُعْطِهِ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) শিঙ্গা লাগালেন এবং যে তাঁকে শিঙ্গা লাগিয়েছে, তাকে তিনি মজুরী দিলেন। যদি তা হারাম হতো তবে তিনি তা দিতেন না।
সহীহ বুখারী হাদিস ২১০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم শিঙ্গা লাগালেন এবং যিনি তাঁকে শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন, তাঁকে মজুরি দিলেন। এরপর বলা হয়েছে, যদি তা হারাম হতো, তবে তিনি তা দিতেন না। এখানে মূল শিক্ষা হলো, শিঙ্গা লাগানোর কাজের বিনিময়ে মজুরি দেওয়া হয়েছে। তাই হাদিসটি হিজামার মজুরি, চিকিৎসাসেবার বিনিময় এবং কাজের মূল্য দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে। এখানে অতিরিক্ত কোনো দাবি না করে শুধু এতটুকু বলা যায় যে, নবী صلى الله عليه وسلم নিজে এই কাজ করিয়েছেন এবং কর্মীকে পারিশ্রমিক দিয়েছেন। এতে শ্রমের মর্যাদা ও ন্যায্য লেনদেনের শিক্ষা পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শ্রম বা সেবার বিনিময়ে পারিশ্রমিক দেওয়া ন্যায্য আচরণ।
- হাদিসে শিঙ্গা লাগানোর মজুরি দেওয়ার ঘটনা এসেছে।
- লেনদেনে কাজের মূল্য অস্বীকার করা উচিত নয়।
